88261670_2786082171498826_2897209943734091776_n

Kalimpong/darjeeling trip by Avijit Ghosh

তিনদিনের ঝটিকা সফরে ঘুরে এলাম উত্তরবঙ্গ থেকে by Avijit Ghosh

Feb 20 (বৃহস্পতিবার):- শিয়ালদা থেকে রাত সাড়ে আটটার সময় কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেস ধরলাম,গন্তব্য NJP।

Feb 21 (শুক্রবার):- সকাল সাড়ে সাতটার সময় NJP নামলাম,নেমে ফ্রেশ হয়ে ড্রাইভার কে ফোন করতে লাগলাম যে তিনি কোথায় আছেন,যদিও সকালে ও আগেরদিন থেকে কথা হয়েই আছে আমরা কখন NJP পৌঁছাবো,এবং গাড়ি আগে থেকেই রিজার্ভ করা ছিলো যিনি আমাদের পুরো ট্যুর টা গাড়িতেই ওই একই বাহনে ঘোড়াবেন।

NJP স্টেশনের বাইরে বেরিয়ে অপেক্ষা করার কিছু মুহুর্তের মধ্যেই এসে পৌঁছালো আমাদের এই পুরো ট্যুরের বাহন Bolero,এই গাড়িটার একটা সুবিধা যে পিছনের সিট গুলোও ছিলো ফ্রন্ট ফেসিং এতে পাহাড়ি রাস্তায় কারওই অসুবিধা হবে না,এবং আমাদের সদস্যসংখ্যা ছিলো ৮ জন।

গাড়ি স্টার্ট দিয়ে আমরা আজকের প্রথম গন্তব্য তিনচুলের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করলাম,তিনচুলে তে আমাদের Kulung Guest House বুক করাই ছিলো,আমরা ঠিক করলাম রাস্তায় ব্রেকফাস্ট ও লাঞ্চ সেরে নিয়ে সাইটসিয়িং সেরে তারপরে বিকেলে হোমস্টে তে পৌঁছাবো,

তো যেই ভাবা সেই কাজ,এইভাবে আমরা আমাদের যাত্রা পথের মাঝেই দেখে নিলাম
▪️Tinchule Sunset View Point
▪️Takdah Orchid Centre
▪️Runglee Rungliot Tea Estate

এইগুলি দেখা শেষ করে পৌঁছালাম আমাদের গেস্ট হাউসে,Kulung Guest House এর মালিক আমাদের সাদর অভ্যর্থনা জানালেন,৭৩ বছরের এই কিশোরের সাথে পরিচয় হয়ে আমাদেরও বেশ লাগলো,রাতে ডিনার সেরে আমরা তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়লাম কারণ পরেরদিন খুব সকালে বেড়াতে হবে আমাদের,গন্তব্য Kalimpong.

Feb 22 (শনিবার):- গেস্ট হাউসেই ব্রেকফাস্ট সেরে তিনচুলে,তাকদার স্মৃতি নিয়ে আমরা Kalimpong এর উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম,আজকেও ঠিক করলাম রাস্তায় সমস্ত সাইট সিয়িং করে তারপর Kalimpong এ আমাদের হোটেল এ পৌঁছাবো,এই প্রসঙ্গে বলে রাখি Kalimpong এ আমাদের রাত্রিবাস এর ঠিকানা হলো Hill Top WBTDC Lodge.

সেইদিন পথে যেতে যেতে দেখলাম
▪️Lamhatta Eco Park
▪️Lovers Meet Viewpoint
▪️Peshok Tea Garden
▪️Pine View Nursery
▪️Durpin Monastery
▪️Army Golf Course
▪️Morgan House
▪️Gouripur House

আজকের লাঞ্চ সারলাম আমরা Army Golf Course এর Green Cafe তে যার পুরোটাই Army দ্বারা পরিচালিত,
বিকেলে লজে পৌঁছে ফ্রেশ হয়ে বেড়িয়ে পড়লাম Kalimpong বাজারের উদ্দেশ্যে,
বাজারে গিয়ে চা, souvenir কিনলাম,রাতের খাবার খেয়ে ট্যাক্সি নিয়ে হোটেল ফিরলাম সেদিন রাতে,
পরেরদিন এর গন্তব্য Lava,

Feb 23 (রবিবার):- Kalimpong থেকে সকালে বেরিয়ে যাত্রা করলাম লাভার উদ্দেশ্যে,আজ আমাদের রাতেই কলকাতা ফেরার ট্রেন NJP থেকে,তাই সারাদিন ঘুরে ড্রাইভার দাদা আমাদের সন্ধের আগে NJP নামিয়ে দেবে এমনটাই কথা হয়ে ছিলো আগে থেকে।

পথে পথে সেইদিন দেখলাম
▪️Dr Graham’s House
▪️Deolo Park
▪️Hanuman Top
▪️Lava Monastery
▪️Ambek Tea Garden
▪️Teesta Barrage,Gajaldoba.

আজকের দুপুরের লাঞ্চ সারলাম তিস্তা ব্যারেজের কাছে গজলডোবা তে,সেদিনের সব সাইডসিয়িং শেষ করে আমরা সন্ধের একটু আগে পৌঁছে গেলাম NJP স্টেশনে,
আমাদের ফেরার ট্রেন রাত আটটায় ছাড়বে Darjeeling Mail.
নিজেদের সমস্ত জিনিস,ব্যাগ বুঝে নিয়ে এবং ড্রাইভার দাদার সাথে কুশল বিনিময় করে আমরা স্টেশনের দিকে পা বাড়ালাম,রাতে খাবার আমরা প্যাক করে নিয়েছিলাম NJP স্টেশনের বাইরে থেকেই,

Feb 24 (সোমবার):- সকাল সাড়ে ছটার সময় শিয়ালদা নেমে একবুক স্মৃতি নিয়ে যে যার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম।

শেষে সবাইকে একটাই অনুরোধ ঘুরতে গিয়ে সবাই পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন,নিজেও ভালো থাকুন,পরিবেশকেও ভালো থাকতে দিন,ধন্যবাদ।

কেওক্রাডং ট্রেকিং – বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর পাহাড় চূড়া । Keokradong । Bandarban (5)

কেওক্রাডং ট্রেকিং – বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর পাহাড় চূড়া । Keokradong । Bandarban । Ruma Ep.5 -by Tiham Traveler

কেওক্রাডং বাংলাদেশের পঞ্চম সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। এর উচ্চতা ৩১৭২ ফুট। এটি বাংলাদেশের বান্দরবানের রুমা উপজেলায় অবস্থিত। এক সময় এটিই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ ছিল। যদিও আধুনিক গবেষণায় এই তথ্য ভুল প্রমাণিত হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ সাকাহাফং বা মদক তুং।

দূর থেকে কেওক্রাডংয়ের চূড়াকে ধোয়াটে মনে হয়। সাদা মেঘে ঢাকা। হাওয়ার ঝাপটায় দাঁড়ানো দায়। বৃষ্টি–বাতাস-মেঘ সময় সময় দখল নেয় চূড়ার আশপাশ।

কেওক্রাডং যেতে হলে আপনাকে প্রথমে যেতে হবে বান্দরবান। বান্দরবান শহর থেকে ১৫ টাকা অটো ভাড়া দিয়ে রুমা বাজার যাওয়ার বাসস্ট্যান্ড। প্রথম বাস সকাল ৮ টায়। প্রথম বাসটাই ধরার চেষ্টা করবেন। ভাড়া ১১০ টাকা। সময় লাগবে ২.৫ থেকে ৩ ঘন্টা।

রুমা বাজার নেমে গাইডের সাথে আর্মি ক্যাম্পে সব দরকারি কাগজপত্রের কাজ শেষ করবেন। আর্মি ক্যাম্পের কাজ শেষে চান্দের গাড়ি নিয়ে বগালেক যেতে হবে। চান্দের গাড়ির ভাড়া ২০০০ টাকা, ১৪/১৫ জনের মত যেতে পারবেন।

বগালেকে আর্মি ক্যাম্পে পেপার জমা দিয়ে কেওক্রাডং এর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করতে হবে। স্যালাইন, শুকনা খাবার, পানি নিয়ে নিবেন। প্রায় ৮/৯ কিমি হাইক এবং বগালেক থেকে কেওক্রাডং এর এলিভেশন ডিফারেন্স প্রায় ২০০০ ফিট। হাটার উপর ডিপেন্ড করে ৪ ঘন্টার আশেপাশে সময় লাগবে কেওক্রাডং পৌছাতে।

আমাদের সাথে ট্যুরে যেতে চাইলে নিচের লিঙ্ক থেকে আমাদের পেজে যুক্ত হয়ে নিন –

https://bit.ly/2ZfaZZ6

ভ্রমণ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য পেতে নিচের লিঙ্ক থেকে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করতে পারেন –

https://www.facebook.com/groups/TravelTubers/

বালি – দ্য লাস্ট প্যারাডাইস (১)

বালি – দ্য লাস্ট প্যারাডাইস by The Royal Bengal Traveller

ভিয়েতনামের পর আমি হানয় থেকে মালায়শিয়া এয়ার্লাইন্স এর ফ্লাইট এ করে বালি গেলাম। এখানে প্রায় ৯ দিন ছিলাম। যেহেতু বালিতে আমার দ্বিতীয় বার এটা । তাই মোটামুটি সব কিছুই জানা ছিল। যাইহোক এবার বালির জন্য ৪টি পর্ব লাগবে। আজকে আমি বালির যাতায়াত / ভিসা/ হোটেল/ খাবার এসবের খরচের উপরে কথা বলব। আর পরের পর্ব গুলো থেকে ডিটেইলস এ আলোচনা করব এবং আমার ভ্রমণের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গল্প বলব ।

ভিসা –
অনেকের মতে বালিতে আমাদের অন এরাইভাল ভিসা , যেটা একদম ভুল।
বালিতে আমাদের ভিসা এক্সপেম্পশন। মানে ভিসা ফ্রি । অন এরাইভালে কিছু টাকা দিয়ে ভিসা নিতে হয় । কিন্তু এক্সেম্পশনে একদম ফ্রি।
ইমিগ্রেশনে পাসপোর্ট তা দিলেই আপনাকে সীল দিয়ে ছেড়ে দিবে। মাঝে মাঝে আসার কারণ জানতে চাইতে পারে। এছাড়া সন্দেহ হলে হোটেল বুকিং দেখতে চায় ।

মানি এক্সচেঞ্জ-
বালিতে সব জায়গায়ই মানি এক্সচেঞ্জ পাবেন। কিন্তু যেসব দোকানে দেখবেন রেট অস্বাভাবিক বেশি ভাববেন সেখানে সমস্যা আছে। তাই বড় দোকান দেখে এবং অথরাইসড দেখেই টাকা ভাঙাবেন।

হোটেল –
একটা সহজ উদাহরণ দিয়ে শুরু করতে চাই। “ বাংলাদেশে যে হোটেল ৬ হাজার টাকায় পাবেন বালিতে সে হোটেল ২ হাজার টাকা। “ বালি তে হোটেলের অভাব নেই। ৭০০ থেকে শুরু করে লাখ টাকার ও হোটেল আছে। মোটামুটি ভাল একটা ১৫০০ থেকে ২৫০০ টাকার মধ্যে পাবেন। সকালের ব্রেকফাস্ট সহ।

যাতায়াত-
বালিতে যাতায়াত এর অনেক মাধ্যম আছে। বেস্ট অপশন একটা স্কুটার ভাড়া নেয়া। প্রতিদিন ৬০-৮০ হাজার রুপিয়া। মানে ৩৫০ থেকে ৪৮০ টাকা। কিন্তু একটু দামাদামি করে ৫০ হাজার রুপিয়া তে ভাড়া নেয়া কোন বেপারই না। ৫০ হাজার মানে ৩০০ টাকা। স্কুটার আপনার হোটেল এর রিসিপশনেই পাবেন। না থাকলে রিসিপশন থেকেই বলে দিবে যে কাছে কোথায় স্কুটার ভাড়া দেয়।
এছাড়া একটা অ্যাপ আছে না গো জেক । এটা অনেকটা পাঠাও এর মতো । এটা ব্যবহার করে আপনি ঘুরতে পারবেন। আর গ্র্যাব তো আছেই।

খাবার-
খাবার আসলে নিজের কাছে। কিন্তু তাও একটা ধারনা দিচ্ছি , প্রতি বেলা মোটামুটি খেতে হলে এক জনের ৫০ হাজার রুপিয়া গুনতে হবে। মানে ৩০০ টাকা। আপনি যদি একটু ভ্রমণ রসিক হন তবে খরচটা বাড়তে পারে।

বিভিন্ন ঘোরার জায়গার এন্ট্রি ফি –
বালিতে বেশিরভাগ প্রাকৃতিক জায়গায়ই একদম নাম মাত্র এন্ট্রি ফি থাকে। ৬০ টাকা থেকে ২০০ টাকার মধ্যে । কিছু জায়গা এমন ও আছে যেখানে কোন টাকা লাগে না।

কোন এলাকা থাকার জন্য উত্তম-

বালিতে বিভিন্ন জায়গা আছে । এগুলোর মধ্যে এক এক জনের পছন্দ এক এক রকমের।

কুটা –
কুটা এয়ারপোর্ট থেকে কাছের এলাকা। এটা সবচেয়ে টুরিস্ট এ পরিপূর্ণ এলাকা। এখানে প্রচুর হোটেল, রেস্টুরেন্ট , মাসাজ পার্লার , ট্যাটু শপ , বার, ইত্যাদি আছে। এই এলাকাটা সবসময় জমজমাট থাকে।

উবুদ –
উবুদ অনেকটা গ্রামের মতো। এখানে প্রচুর ইউরোপিয়ান আসে। এরা এখানে এসে মাসের পর মাস থেকে যায়। এখানে এসে ইয়গা করে , কুকিং ক্লাস করে, মাউন্ট বাতুর এবং আগুং এ হাইকে যায় । এখান থেকে রিভার রাফটিং, রাইস ট্যারেস, ওয়াটার ফল কাছাকাছি।

উলুয়াতু-
যারা একটু নিরজন সময় কাটাতে চান তারা উলুয়াতু থাকতে পারেন। খুব ঠাণ্ডা একটা এলাকা। পাহাড় আর সমুদ্রে ঘেরা একটা এলাকা। সারফাররা বেশিরভাগ সময় এখানে আসে। এখানের বীচ গুলোতে স্রোত অনেক। তাই এটাকে সার্ফিং প্যারাডাইস ও বলা হয়।

সেমিনিয়াক-
বালির গুলশান বলা চলে এটাকে। এখানে অনেক ভিলা আছে। সব কিছুর দামই একটু বেশি এখানে। অনেক ভাল ভাল রেস্টুরেন্ট, শপ, ক্লাব এখানে আছে।

চ্যাঙ্গু-
এটা একটা পার্টি এলাকা। বারো মাসই এখানে পার্টি চলে। যারা পার্টি পছন্দ করেন , ঘুরে আস্তে পারেন চ্যাঙ্গু থেকে।

এছাড়া বালিতে আরও অনেক জায়গা আছে যেমন নুসা পেনিদা, নুসা দুয়া, পাদাং বে এসব জায়গায় ও অনেকে থাকতে ভালবাসে। তাই যাওয়ার আগে একটু ইন্টারনেট থেকে রিসার্চ করে যাবেন । যে কোনটা আপনার টেস্ট ম্যাচ করে।

আজকে এপর্যন্ত ই রাখছি। আগামী পর্ব থেকে শুরু হবে আমার ইন ডিটেইলস লেখা।
আমার পেইজ থেকেই পোস্ট করা হবে সব।আমি কোন ট্রাভেল এজেন্ট বা মুনাফা লাভ করার জন্য এসব লেখি না । জাস্ট আমার এক্সপেরিএন্স শেয়ার করি।
তাই কেউ ভাববেন না যে আমি এসব দিয়ে টাকা পয়সা কামাচ্ছি।
ধন্যবাদ।

8

বাঘা মসজিদ ,রাজশাহী by Mohammed Rashedul Alam Rasel

বাঘা মসজিদ ,রাজশাহী by Mohammed Rashedul Alam Rasel

রাজশাহীর প্রাচীন ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী মসজিদগুলোর মধ্যে বাঘা মসজিদ খুবই গুরুত্বপূর্ন তাৎপর্য বহন করে । অন্য আরেকটি কারনে এই মসজিদটির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে , আর তা হল বাংলাদেশের পুরাতন পঞ্চাশ টাকার নোটের পেছনে এই মসজিদের ছবি ছিল সেই পঞ্চাশ টাকার নোটটি সীমিত আকারে হলেও এখনো বাজারে পাওয়া যায় । ১৫২৩-১৫২৪ সালে (৯৩০ হিজরি) হুসেন শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা আলাউদ্দিন শাহের পুত্র সুলতান নুসরাত শাহ এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় এই মসজিদের সংস্কার করা হয় এবং মসজিদের গম্বুজগুলো ভেঙ্গে গেলে ধ্বংসপ্রাপ্ত মসজিদে নতুন করে ছাদ দেয়া হয় ১৮৯৭ সালে। এই মসজিদটি ২৫৬ বিঘা জমির ওপর অবস্থিত । মসজিদটির গাঁথুনি চুন এবং সুরকি দিয়ে। মসজিদের ভেতরে এবং বাইরের দেয়ালে সুন্দর মেহরাব ও স্তম্ভ রয়েছে। এছাড়া আছে পোড়ামাটির অসংখ্য কারুকাজ যার ভেতরে রয়েছে আমগাছ, কাঠাল গাছ , লতাপাতাসহ ফার্সি খোদাই শিল্পে ব্যবহৃত হাজার রকম কারুকাজ। এছাড়া মসজিদ প্রাঙ্গণের উত্তর পাশেই রয়েছে হজরত শাহদৌলা ও তার পাঁচ সঙ্গীর মাজার। বাংলার স্বাধীন সুলতান আলাউদ্দিন হুসাইন শাহর পুত্র নাসিরউদ্দীন নসরত শাহ জনকল্যাণার্থে মসজিদের সামনেই একটি দিঘী খনন করেন। শাহী মসজিদ সংলগ্ন এ দিঘিটি ৫২ বিঘা জমির ওপর রয়েছে । সর্বপরি এই মসজিদ ও আশেপাশের পরিবেশ এবং মসজিদের কারুকার্য সবাইকে মুগ্ধ করবে ।

যাতায়াত ঃ

বাঘা মসজিদ রাজশাহী জেলা সদর হতে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বাঘা উপজেলাতে অবস্থিত । বাঘা মসজিদ যেতে হলে আপনাকে আসতে হবে রাজশাহীতে , রাজশাহী শহরের ঢাকা বাসস্টেন্ডের পাশেই বাঘা বাসস্টেন্ড এখান থেকে বাসে আপনি চলে যেতে পারেন বাঘা উপজেলাতে এ ক্ষেত্রে আপনাকে নামতে হবে বাঘা বাসস্টেন্ড সে ক্ষেত্রে বাঘা পৌছাতে সময় লাগবে ১:৩০মি.-২ঘন্টা ।অথবা আপনারা চাইলে রাজশাহীর ভদ্রার মোর থেকেও বাসে উঠতে পারবে তবে ঝামেলা না চাইলে বাসস্টেন্ড থেকেই উত্তম ।বাঘা বাসস্টেন্ড নামলেই আপনি ব্যাটারী চালিত ভ্যান পাবেন তাতে ভর করে আপনি চলে যাবেন বাঘা মসজিদ ।

খাবার ও থাকার ব্যবস্থা ঃ

বাঘা উপজেলা বা বাঘা মসজিদ প্রাঙ্গনের কাছে তেমন ভাল মানের খাবার বা থাকার হোটেল নেই তাই , সাধারণ মানের যে সব খাবার হোটেল রয়েছে তাতেই নিজেকে মানিয়ে নিয়ে দুপুরের খাবার সারতে হবে ।আর যেহেতু রাজশাহী শহর থেকে দিনে গিয়ে দিনে আসা-যাওয়া সম্ভব তাই সকালে গিয়ে বিকালে ফেরত আসতে পারবেন তাই রাজশাহী শহরের হোটেলে অবস্থান করাই ভাল । তবে একটি কথা মনে রাখবেন উত্তরবঙ্গে ভ্রমনের ক্ষেত্রে নিজের NID সাথে রাখবেন ও যারা বিবাহিত ও স্বামী ও স্ত্রী একসঙ্গে উত্তরবঙ্গে ভ্রমনে ইচ্ছুক তারা অবশ্যই NID এর সাথে বিয়ের কাবিনের ফটোকপি সঙ্গে রাখবেন নয়তো হোটেল ভাড়া পাবেন না ।

ভিডিও ঃ

রাজশাহীর বাঘা মসজিদ বাস্তবে দেখতে কেমন তার ধারনা নিতে লিংকের মাধ্যমে গিয়ে ভিডিওটি দেখতে পারেন ।https://www.youtube.com/watch?v=GMj2zckAcuo

বি:দ্রঃ

আমরা যেখানেই ভ্রমন করবো ময়লা আবর্জনা নিজ দায়িত্বে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলবো এর মাধ্যমে আমরা নিজেরা পরিবেশ পরিস্কার রাখতে অবদান রাখবো যা বর্তমান ও আগামীর প্রজন্মের নিকট শিক্ষনীয় দৃষ্টান্ত হবে । by Mohammed Rashedul Alam Rasel.

53783972_10158250755146978_8274615440500588544_o-1536x863

করোনার কারণে সিকিমের পারমিট বন্ধ ঘোষণা

লিখেছেন ভ্রমণগুরু থেকে Muhammad Hossain Shobuj

মার্চ ২০২০ এর লম্বা বন্ধ সামনে রেখে যারা সিকিম ভ্রমণের পরিকল্পনা করছিলেন তাদের জন্য বড় দুঃসংবাদ। সারা পৃথিবীতে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের আশংকাজনক বৃদ্ধির কারণে সিকিম রাজ্য সরকার আজ ৫ই মার্চ ২০২০ থেকে “ইনার লাইন পারমিট” সকল বিদেশি নাগরিকদের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে।

উল্লেখ্য ভারতের সিকিম জনপ্রিয় একটি ভ্রমণের গন্তব্য। রেস্ট্রিকটেড এরিয়া হওয়ার কারণে শুধুমাত্র ভারতের ভিসা নিয়েই সিকিম ভ্রমণ সম্ভব নয়। ২০১৮ সালের শেষ দিকে অনেকদিন বন্ধ থাকার আবার বাংলাদেশিদের জন্য খুলে দেওয়া হয় সিকিমের দুয়ার। এরপর থেকেই বাংলাদেশের ট্যুরিস্টদের মধ্যে তুমুল জনপ্রিয়তা পায় সিকিম ভ্রমণ। নভেম্বর থেকে এপ্রিলেই সাদা বরফ দেখার জন্য সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ট্যুরিস্ট সিকিম বেড়াতে যায়। মার্চ মাসে ১৭ ই মার্চ ও ২৬ মার্চ ছুটির সাথে মিল রেখে অনেকেই সিকিম ভ্রমণের পরিকল্পনা করছিলেন। এজন্য অনেকেই ভারতের ভিসা করে রেখেছেন।

বর্তমান নিয়মে ভারতের ভিসা থাকলে শিলিগুড়ি বা রেংপো থেকে সহজেই “ইনার লাইন পারমিট” পাওয়া যেতো। আমাদের দেশের অধিকাংশ টুরিস্টই বাংলাবান্ধা বা ফুলবাড়ি হয়ে সিকিম যাওয়ার পথে রেংপো শহর থেকে এই পারমিট সংগ্রহ করতেন। এতে করে মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যে সহজেই অনুমতি পাওয়া যেতো। কিন্তু আজ সিকিম রাজ্য সরকার সকল বিদেশি নাগরিকদের জন্য ”ইনার লাইন পারমিট” ইস্যু করা বন্ধ ঘোষণা করে। ফলে সব বিদেশি নাগরিকদের জন্য সিকিম বন্ধ ভ্রমণ বন্ধ হয়ে গেলো।

সিকিম সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঘোষণায় এসব তথ্য জানা গেছে। বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের আশংকায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। কবে কখন আবার খুলে দিবে এ তথ্য তারা জানায়নি।

ফিচার ছবিঃ আশরাফ হোসেন

করোনার কারণে সিকিমের পারমিট বন্ধ ঘোষণা

মার্চ ২০২০ এর লম্বা বন্ধ সামনে রেখে যারা সিকিম ভ্রমণের পরিকল্পনা করছিলেন তাদের জন্য বড় দুঃসংবাদ। সারা পৃথিবীতে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের আশংকাজনক বৃদ্ধির কারণে সিকিম রাজ্য সরকার আজ ৫ই মার্চ ২০২০ থেকে “ইনার লাইন পারমিট” সকল বিদেশি নাগরিকদের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে।

উল্লেখ্য ভারতের সিকিম জনপ্রিয় একটি ভ্রমণের গন্তব্য। রেস্ট্রিকটেড এরিয়া হওয়ার কারণে শুধুমাত্র ভারতের ভিসা নিয়েই সিকিম ভ্রমণ সম্ভব নয়। ২০১৮ সালের শেষ দিকে অনেকদিন বন্ধ থাকার আবার বাংলাদেশিদের জন্য খুলে দেওয়া হয় সিকিমের দুয়ার। এরপর থেকেই বাংলাদেশের ট্যুরিস্টদের মধ্যে তুমুল জনপ্রিয়তা পায় সিকিম ভ্রমণ। নভেম্বর থেকে এপ্রিলেই সাদা বরফ দেখার জন্য সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ট্যুরিস্ট সিকিম বেড়াতে যায়। মার্চ মাসে ১৭ ই মার্চ ও ২৬ মার্চ ছুটির সাথে মিল রেখে অনেকেই সিকিম ভ্রমণের পরিকল্পনা করছিলেন। এজন্য অনেকেই ভারতের ভিসা করে রেখেছেন।

ku-1

বাংলাদেশসহ ৭ দেশের সঙ্গে সব ধরনের বিমান চলাচল বন্ধ করলো কুয়েত

সাতটি দেশের সঙ্গে সব ধরনের বিমান চলাচল বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে কুয়েত সরকার। শুক্রবার থেকে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহ পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহালে থাকবে বলে আরব টাইমস অনলাইনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

দেশগুলো হলো-মিশর, ফিলিপাইন, সিরিয়া, লেবানন, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ ও ভারত।

কুয়েতের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব দেশের নাগরিকরা যারা দেশগুলোতে সর্বশেষ দুই সপ্তাহ অবস্থান করেছেন তাদের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে। আর কুয়েতের যেসব নাগরিকরা এসব দেশ ভ্রমণ করেছেন তাদের ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে।

বিশ্বের ৯৭টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। কুয়েতে এ পর্যন্ত ৫৮ জন আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে।

একটি সূত্র জানিয়েছে, করোনাভাইরাস যেন দ্রুত অন্যদের মাঝে ছড়িয়ে না পড়ে, সেজন্য সতর্কতামূলক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কুয়েত সরকার।

তথ্যঃ https://www.aviationnewsbd.com/

81446115_3932943690064583_5198834247091093504_o

Bhutan imposes 2 weeks restriction on tourists

Temporary Restriction of tourist in Bhutan

“the government will impose two weeks of restriction on all incoming tourists with immediate effect. This is to enable rigorous monitoring, source assessment of infection and mitigate the situation.n addition, all international conferences and seminars to be held in he country in the two weeks are also postponed. The government will assess the situation after two weeks and accordingly decide on the restrictions.”

A note published by Bhutan Government

88099436_912782435820929_4224697237285896192_n

Promoting my own hometown Itanagar – ‎Merang Tarh‎

Promoting my own hometown Itanagar- ‎Merang Tarh‎ 

if anyone especially from another country (who have not heard of northeast india) is a travel enthusiast and wanna enjoy serene beauty of nature should definitely visit Arunachal Pradesh. As many asked about the ideal time to visit Itanagar here weather is lil hot unlike tawang.. one can visit during autumn or winter.. and then from itanagar u can go to colder snowy places like tawang, bomdilla, mechuka in the same season within the state🤗
To connect- @iampuniatarh in instagram

সিকিম

সিকিম যাবার পারমিশন কিভাবে নিবেন বিস্তারিত পোস্ট

লিখেছেন স্বপ্নযাত্রা থেকে- Billah Mamun

আপনারা জানেন দীর্ঘদিন বন্ধের পর সিকিম গ্যাংটকে ভ্রমণের সুযোগ এসেছে বাংলাদেশীদের হাতে তবে সিকিম যেতে হলে বাংলাদেশীদের স্পেশাল পার্মিশন নিতে হয় ।। সেই পারমিশন আপনি তিনটি উপায়ে নিতে পারবেন

১/ বাংলাদেশের ভারতীয় ভিসা সেন্টার থেকে
২/শিলিগুড়ি থেকে
৩/সিকিম প্রবেশ করার গেট থেকে

আমরা তিনটি উপায়ই ভিন্ন ভিন্নভাবে আলোচনা করছি

বাংলাদেশের ভারতীয় ভিসা সেন্টার থেকে :   আপনি চাইলে ভ্রমণের পূর্বেই বাংলাদেশের ভারতীয় ভিসা সেন্টার থেকে সিকিম ভ্রমণের অনুমতি নিয়ে নিতে পারেন এজন্য আপনাকে এই ফর্মটি ডাউনলোড করে কলম দিয়ে লিখে পূরণ করতে হবে ফর্মটি ডাউনলোড লিংক               সঠিকভাবে পূরণ করে রবি টু বৃহষ্পতিবার সরাসরি গিয়ে জমা দিয়ে আসবেন এক্ষেত্রে ফী লাগবে ৩০০ টাকা ।। মুলত সাত দিনের মধ্যেই অনুমতি পাওয়া যায় যাবার ।।

শিলিগুড়ি থেকে : আপনি চাই্লে বাংলাদেশ থেকে অনুমতি না নিয়ে শিলিগুড়ি থেকেও তাৎক্ষণিক অনুমতি নিতে পারেন এক্ষেত্রে সুবিধা হলো কোন টাকা লাগবেনা কোন ফর্মও পূরণ করতে হবেনা শুধুমাত্র আপনার পাসপোর্ট ও তার ফটোকপি ,ভিসার ফটোকপি এবং আপনার দুইকপি পাসপোর্ট /ভিসা সাইজের ছবি দিলেই সাথেসাথে আপনাকে অনুমতি দিয়ে দিবে ।। সকাল থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এখানে অনুমতি দিয়ে থাকে ৫টার পর শিলিগুড়ি অনুমতি অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয় । শিলিগুড়িতে সিকিম ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্ট (SNT Bus Terminus) বাস টার্মিনালের কাছে SNT কলোনিতে সিকিম ট্যুরিস্ট ইনফরমেশন সেন্টার অবস্থিত। সেখান থেকেই অনুমতি দেওয়া হয় পুরো ঠিকানা হলো SIKKIM TOURIST INFORMATION CENTRE, SNT COLONY, HILL CART ROAD, SILIGURI.

সিকিম গেইট থেকে  : আপনি চাইলে শিলিগুড়ি থেকে না নিয়ে সিকিম ঢুকার রাঙ্গপো চেকপোস্ট থেকেও তাৎক্ষণিক অনুমতি নিতে পারবেন এক্ষেত্রেও কোন টাকা লাগবেনা এবং ফর্মও পুরণ করতে হবেনা শুধুমাত্র আপনার পাসপোর্ট ও তার ফটোকপি ,ভিসার ফটোকপি এবং আপনার দুই কপি পাসপোর্ট /ভিসা সাইজের ছবি দিলেই সাথে সাথে আপনাকে অনুমতি দিয়ে দিবে । সিকিম গেট থেকে আপনি অনুমতি নিতে পারবেন সকাল আটটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত তবে ট্যুরিস্টদের ভিড় থাকলে যতক্ষণ পর্যন্ত প্রয়োজন ততক্ষণ সিকিমের এই অনুমতি অফিসটি খোলা থাকে সেটা যদি রাত দশটাও হয় খোলা থাকবে ।।

সকল দিক বিবেচনায় বাংলাদেশ থেকে অনুমতি নেওয়াটা বোকামিই বলা চলে একেতো ৩০০ টাকা ফী লাগে তার উপরে অনুমতি নিতে সাতদিন লাগে এবং ঢাকাতে কোথাও যাওয়া আসাটাও একটা প্যারার ব্যাপার তাই আপনারা শিলিগুড়ি বা সিকিম গেইট মানে রাঙ্গপো চেক পোস্ট থেকে অনুমতি নিবেন যাতে কোন টাকা লাগেনা এবং দশ পনের মিনিটের মধ্যে পারমিশন হয়ে যায়  তবে হ্যাঁ যাদের সরকারী অফিসিয়াল পাসপোর্ট তারা কিন্তু বাংলাদেশ থেকেই অনুমতি নিয়ে যেতে হবে রাঙ্গপো বা সিকিম গেইট থেকে অনুমতি পাবেন না ।। সরকারী অফিসিয়াল পাসপোর্ট ধারীদের বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসা সেন্টার থেকে অনুমতি নিতে হবে এবং এতে প্রায় এক মাস সময় লাগে অনুমতি পেতে ।

সিকিম থেকে বের হবার সময় একইভাবে আপনাকে এন্ট্রি ফর্ম দেখিয়ে এক্সিট করে আসতে হবে ।। এক্ষেত্রে বলে দেই এন্ট্রি এবং এক্সিটে সবাইকে যেতে হয়না যেকোন একজন সবার পাসপোর্ট ও তার কপি ,ভিসার কপি ও ফটো সহ জমা দিলেই চলে  বাকীরা অফিসের বাইরে বা গাড়ীতে বসে থাকলেই হয় ।।

আশা করি অনুমতির বিষয়টি পুরোপুরি ক্লিয়ার  তারপরও কোন প্রশ্ন থাকলে আমাকে করতে পারেন