Bangladesh-Identity-solutions-for-a-strong-economy_000_Official-1536x981

ই-পাসপোর্ট করুন ৫ টি সহজ ধাপে

ই-পাসপোর্ট আবেদনের ৫(পাঁচ) টি ধাপ

Last updated: 25 ফেব্রুয়ারী 2020

ই-পাসপোর্ট আবেদনের জন্য ৫টি সহজ ধাপ রয়েছে। ধাপগুলো হলো: 

ধাপ-১ : বর্তমানে বসবাসরত জেলাতে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম শুরু হয়েছে কি না দেখুন । 

বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগীয় ও আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস এবং বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসে ধাপে ধাপে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম শুরু হবে। তাই নিজ জেলাতে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম শুরু হলে আবেদনের প্রস্ততি গ্রহণ করুন।অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে বর্তমান ঠিকানা অনুযায়ী জেলা ও থানার নাম অর্ন্তভুক্ত করুন।

বাংলাদেশের পাসপোর্ট অফিস অথবা দূতাবাসের লিস্ট থেকে নির্দিষ্ট অফিস নির্বাচন করুন।

ধাপ-২ : অনলাইনে ই-পাসপোর্ট আবেদন ফরম পূরণ করুন।

ই-পাসপোর্ট আবেদন দুইটি প্রক্রিয়ায় সম্পাদন করা যায় । 

অনলাইন আবেদন : আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য ক্লিক করুন ‘এখানে’ । অনলাইন পেমেন্ট অপশন নির্বাচন করুন, এতে আপনার সময় সাশ্রয় হবে । 

অফলাইন আবেদন : ই-পাসপোর্টের পিডিএফ (অফলাইন আবেদন বর্তমানে চালু নেই।খুব শিগ্রই চালু হবে) আবেদন ফরম ডাউনলোড করার পর কম্পিউটারে সরাসরি পূরণ করতে পারেন । পিডিএফ এডিটরের সহায়তায় ফরম পূরণ করে প্রিন্ট করুণ। পূরণকৃত ফরম প্রিন্ট করে প্রয়োজনীয় দলিলাদিসহ (যেমন : জাতীয় পরিচয় পত্র, পুরাতন পাসপোর্ট [যদি থাকে], প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অন্যান্য প্রমাণক) পাসপোর্ট অফিস বা দূতাবাসে যোগাযোগ করুন । তবে নিশ্চিত হউন আপনার সংশ্লিষ্ট অফিস/দূতাবাসে ই-পাসপোর্টের কার্যক্রম শুরু হয়েছে কি না ?

মনে রাখুন : আবেদন অবশ্যই কম্পিউটারে পূরণ করতে হবে। হাতে লেখা কোন আবেদন গৃহীত হবে না।

ধাপ-৩ : পাসপোর্ট ফি পরিশোধ । 

তালিকাভুক্তির জন্য পাসপোর্টের নির্ধারিত ফি পরিশোধ করুন । আপনি যখন অনলাইন আবেদন করবেন তখন ফি পরিশোধের জন্য অনেক বিকল্প পাবেন (যেমন : ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ ও অন্যান্য) এছাড়া নির্ধারিত ব্যাংকে ফি পরিশোধ এর সুযোগ রয়েছে । যখন ব্যাংক ফি পরিশোধ করবেন তখন পাসপোর্ট আবেদনপত্র সাথে রাখা রাখবেন।

ধাপ-৪ : ছবি ও ফিঙ্গার প্রিন্টের জন্য পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ । 

ছবি ও ফিঙ্গার প্রিন্টের জন্য পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার আগে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে নিয়েছেন কি না নিশ্চিত হোন। কমপক্ষে প্রিন্টেড আবেদন, পেমেন্ট স্লিপ, জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম সনদ, সর্বশেষ পুরোনা পাসপোর্ট (যদি থাকে) এবং অন্যান্য কাগজপত্র (যেটি আপনি সহায়ক মনে করেন) সঙ্গে রাখুন। বর্তমানে ঠিকানা অনুযায়ী দেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে আবেদন করুন। সকল বাংলাদেশ দূতাবাসে দেশের ঠিকানা অনুযায়ী আবেদন করা যাবে । পাসপোর্ট অফিসে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত বিষয়াদি যাচাই করা হয়। 

⦁ কাগজপত্র ও ব্যক্তিগত তথ্য যাচাই।

⦁ আবেদনকারীর ফটো তোলা।

⦁ আঙ্গুলের ছাপ ও আইরিশের ছবি গ্রহণ।

⦁ যথাযথভাবে পাসপোর্ট ফি পরিশোধ হয়েছে কিনা ? 

মনে রাখুন : তালিকাভুক্তির পর সরবরাহকৃত ডেলিভারি স্লিপ সংরক্ষন করুন । পাসপোর্ট সংগ্রহের সময় ডেলিভারি স্লিপ প্রর্দশন বাধ্যতামূলক ।

ধাপ-৫ : পাসপোর্ট অফিস থেকে ই-পাসপোর্ট সংগ্রহ : 

আবেদনকারীকে সশরীরে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে । পাসপোর্ট সংগ্রহের সময় আবেদনকারীর ফিঙ্গারপ্রিন্টের সাথে এনরোলমেন্টের ফিঙ্গার প্রিন্টের মিল আছে কি না পরীক্ষা করা হবে । পাসপোর্ট সংগ্রহের সময় নিম্ন বর্ণিত প্রমাণক সাথে আনতে হবে :

⦁ ডেলিভারী স্লিপ/রশিদ: এনরোলমেন্ট সম্পন্ন হওয়ার পর প্রদেয় স্লিপ ।

⦁ সর্বশেষ পুরানো পাসপোর্ট (যদি থাকে)।

বিশেষ ক্ষেত্রে উপযুক্ত বাহকের কাছে পাসপোর্ট প্রদান করা যেতে পারে।

⦁ ১১ (এগার) বছরের কম বয়সী সন্তানের পিতামাতা/বৈধ অভিভাবক নিজের জাতীয় পরিচয় পত্র, আবেদনকৃত পাসপোর্ট ডেলিভারি স্লিপ/রশিদ ও পূর্বের পাসপোর্ট (যদি থাকে) প্রদর্শন সাপেক্ষে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারবেন ।

⦁ অসুস্থ ব্যক্তির ক্ষেত্রে ক্ষমতা হস্তান্তর পত্র, আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র, পুরাতন পাসপোর্ট (যদি থাকে) এবং ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র, পুরাতন পাসপোর্ট (যদি থাকে) যাচাই সাপেক্ষে পাসপোর্ট প্রদান করা যাবে ।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট পোর্টাল

87596501_1843747535758245_8888145651808862208_n

বাড়ীর গরু উঠানের ঘাস খায় না – Abdul Bari Sarkar

বাড়ীর গরু উঠানের ঘাস খায় না….. – by Abdul Bari Sarkar
প্রচলিত এই প্রবাদ আমার জন্য প্রযোজ্য। ১ম চাকরিসূত্রে দেড় বছর সিলেটে থাকলেও পাশেই সুশীতল, চিরসবুজ, শান্তিময় ছোট্ট শহর শ্রীমংগল যাওয়া হয়ে ওঠেনি। যদিও শ্রীমংগল আমাকে হাতছানি দিয়ে ডাকত সব সময়। প্রিয় বন্ধু Murad Ud Daula Mithu অভিশাপ দিয়ে বলেছিল — কখনো আমার মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত যাওয়া হবে না। অভিশাপ ফলেছে বটে। সত্যি আমার সেখানে আর যাওয়া হয়নি আজও। ইতিমধ্যেই আকর্ষণও আর অবশিষ্ট নেই। তাই হুট করেই ২ বন্ধুকে(Shohel Azam Humayun Kabir) সাথে নিয়ে ২ রাত ৩ দিনের ট্যুর প্ল্যান করে ফেললাম। এই ট্যুরের স্পট গুলো খুবই প্রচলিত আর পুরনো ক্রেজ। তাই বিপুল পরিমান পোস্ট আছে নিশ্চিত। তাই লেখার কোন আগ্রহবোধও করিনি কয়েকদিন। কিন্তু এক সময় ভেবে দেখলাম অনেক চেনা জানার মাঝেও অদেখা ভুবন আছে। তাই লিখতে বসলাম। ছোট্ট এই ভ্রমণে অনেক প্রাপ্তি ছিল। সবচে বড় প্রাপ্তি বোধকরি Humayun Kabir ভাইকে সৌখিন ট্যুরিস্ট থেকে ট্রাভেলার বানিয়ে ফেলা। যিনি এর আগে দেশের মধ্যে কখনো ট্রেনে ভ্রমণ করেন নি। ফুটপাতের লোকাল ফুডও আগে খান নি। থাকেন নি গ্রাম বা মফস্বল এর হোটেলেও আগে কোনদিন। তিনি সবই মেনে নিয়েছেন হাসিমুখে। অভ্যস্ত হয়েও গেছেন বলা যায়।

আমরা যারা কম বেশি ঘুরতে পছন্দ করি, তারা সিলেটে গেছেন একাধিকবার। সেখানে দেখার মত স্পট বলতে তো সেই শাবিপ্রবি ক্যাম্পাস, শাহ জালাল – পরাণের মাজার, ক্বীন ব্রীজ….ইত্যাদি। কিন্তু অনেকেই জানেন না বা ধারণাও করতে পারেন না যে, শহরের অদূরেই আছে দারুণ ” টিলাগড় ইকোপার্ক “। এটি আপনাকে মুগ্ধ করবেই। আছে মিনি চিড়িয়াখানায় সুন্দরী ময়ূর আর অভিজাত হিসাবে খ্যাত বর্ণিল ম্যাকাও। খুব সকালে গিয়েছিলাম বলে কুয়াশাচ্ছন্ন আর গা ছমছমে পরিবেশ ছিল। কি দারুন নির্জনতা। সে সৌন্দর্য বড্ড অপার্থিব! দুই পাশে সুউচ্চ টিলার উপর সুদীর্ঘ সবুজ গাছের বন ভেদ করে রাস্তা চলে গেছে সর্পিলাকার।

হলিউডের জীবন্ত কিংবদন্তী সোফিয়া লরেন তারকাদের তারকা হয়ে উঠেছিলেন যে সিনেমার মাধ্যমে, সেটি ছিল ‘Sun Flower ‘. যারা ছবিটি দেখেছেন তারা জানেন, ছবিটির শুরুতে দেখানো হয় অসাধারণ এক সূর্য্যমূখীর খেত। তাহিরপুর যেতে পথেই পাবেন এমন একটি সূর্যমুখী খেত। আর পাবেন সবুজ খোলা প্রান্তর, সব্জি খেত,ছোট নদী, খাল আর গরুর পাল। চিরায়ত বাংলার এইত সত্যিকারের সৌন্দর্য।
আমাদের হালের কত নষ্ট, ভ্রষ্ট আর দুষ্ট নেতাদের কাহীনী জানি। তারা কাড়ি কাড়ি টাকা আর সম্পদের পাহাড় বানাতে সদা ব্যস্ত। আর জনাব মরহুম জয়নাল আবেদিন নিজ হাতে গড়েছেন শিমূল বাগান। বাংগালীর বসন্তকে তো সত্যিকারে রাঙিয়ে দেয় রক্ত রাঙা শিমূল। সেও বিলুপ্তপ্রায়। জয়নাল আবেদিন সেটিকে বাঁচিয়েছেন পরম মমতায়। তিনি বেঁচে থাকবেন প্রজন্মান্তর এই শিমূল বাগানের মাঝে। নিলাদ্রী হ্রদের শান্ত – শীতল নীলাভ জলরাশি সমস্ত দিনের শ্রান্তি, ক্লান্তি মুছে দেবে এক নিমেষে।

আমাদের প্রয়াত কিংবদন্তি রাজ্জাক আর গোলাপী ত্বকের নায়িকা শবনম অভিনীত যোগাযোগ ছবিটির কথা মনে আছে? সেই চা বাগানের যাপিতজীবনঃ এর নিখুঁত চিত্রায়ন। তাতে ছিল মালিক, বাবু, চা শ্রমিক, প্রেম – বিরহ- বিচ্ছেদ, মান অভিমান, সাধু – শয়তান আর শ্রমিকদের সবচে কাঙ্খিত পানীয় হাড়িয়া….. সব উপাদান। ফিনলে চা বাগান যেন এক বিশাল সবুজের রাজ্য। বড় বাবু’র ( ম্যানেজার) বাংলো বাড়িতে সময় কাটানো নতুন অভিজ্ঞতা। শান্তি, শীতল অথচ কি দারুণ পরিপাটি আর অভিজাত! চা বাগান আমার জন্য নস্টালজিয়া। ৯০ দশকের বিটিভি’র নাটক মানেই ছিল বিশুদ্ধ পারিবারিক বিনোদন। শমী কায়সার আর জাহিদ হাসান জুটি ছিল হটকেক। ছায়াবৃক্ষ নামের খন্ড নাটকের প্রেম – বিরহ – বিচ্ছেদ আর হ্রদয়ের রক্তক্ষরণের অসাধারণ চিত্রায়ন এই ফিনলে চা বাগানেই হয়েছিল। বাগানের ভেতরেই রয়েছে গলফ কোর্স। বর্ষায় সবুজ হলেও এই বসন্তে সেটি বিবর্ণ, ধূসর। তবু এক ভিন্ন জাতের সৌন্দর্যের পসরা সাজিয়ে বসে আছে। এখানে এসে মনে হতেই পারে…. জীবনের অনেক পথ পাড়ি দেওয়া এখনো বাকী। চলুন পা বাড়াই!

যেভাবে যাবেনঃ
দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে বাসে সিলেট কিম্বা সরাসরি শ্রীমংগল যেতে পারেন। আমরা অবশ্য ট্রেনে গিয়েছিলাম কমলাপুর থেকে সিলেট। কেবিনে ভাড়া ছিল জনপ্রতি ৭০০/ উপবন এক্সপ্রেসে। ঢাকা থেকে বাস ভাড়া ৪৭০/ নন এসি। সিলেট থেকে সুনামগঞ্জ ভাড়া ১০০/। সেখান থেকে লোকাল সি এন জি ভাড়া ৮০/ জনপ্রতি যাদুকাটা নদী ঘাট পর্যন্ত। তারপর ৩০ টাকা ভাড়ায় চলে যাবেন শিমূল বাগানে। শিমূল বাগান থেকে ণিলাদ্রী লেকের ভাড়া ৮০/ জনপ্রতি।
হোটেল ভাড়া ও খাবার খরচঃ
আমরা ২ রাত ছিলাম হোটেলে। খরচ কমাতে ১ রাত ছিলাম সায়েস্তাগঞ্জ। হোটেল ভাড়া ৩জনের রুম ( ৩ বেড ছিল) ৬০০ টাকা। এক রাত ছিলাম নিলাদ্রী লেকের পাশে খন্দকার হোটেলে। ভাড়া ৭০০/
খাবার খরচ প্রতিদিন গড়ে জনপ্রতি ৫০০ টাকা।
আমাদের জনপ্রতি মোট খরচ হয়েছে ৪০০০ টাকা ( প্রায়)। আমরা যাওয়া এবং আসা নন এসি কেবিনে করেছি। তাই খরচ একটু বেশি হয়েছে।

আর আপনি যে সত্যিকারের প্রকৃতি প্রেমী আর সুসভ্য তার প্রমাণ আচরণ এবং পরিবেশ সচেতনতা দিয়ে দিন। হ্যাপি ট্রাভেলিং।

81920099_3932943213397964_5175347428886315008_o

ভূটান ভ্রমণ – Sayek Raju

#BhutanSayek Raju
ভূটান ভ্রমণ (১১/১২/১৯-১৯/১২/১৯)
(ফুন্টসিলং-থিম্পু – পুনাখা – থিম্পু – পারো – ফুন্টসিলং)
টিওবি থেকে গ্রুপ করে ভূটান ভ্রমণের নতুন অভিজ্ঞতা।মুরাদ ভাই ও হাবিবা আপুকে প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই আমি ও আমার বন্ধু মুনিমকে ভ্রমণ সঙ্গী করার জন্য।অনেক জল্পনা কল্পনা ও বাধা বিপওি অতিক্রম করে সফল হলো ভূটান ভ্রমণ।
ডিসেম্বর ১১
ভিসা ডেলিভারি ডেট ছিল ১১,তাই আগে টেক্সট আসা সত্যেও যাই নাই।(টেক্সট আসলেই পাসপোর্ট কালেক্ট করা যায়)।পাসপোর্টের জন্য লাইনে দাঁড়াই ২:৩০ তাও ৫০০/৬০০ মানুষের পিছনে দাড়াতে হয়েছে।ভিসা পেলে যাওয়া হবে নয়তো মন খারাপ করে বসে থাকতে হবে।এদিকে মুনিম ব্যাগ গুছিয়ে চলে আসছে ভিসা অফিসে। ভিসা পাওয়ার পরে দুজনই খুব এক্সাইটেড ছিলাম।হাবিবা আপুকেও জানিয়ে দিলাম আমরাও যাব।আগে থেকেই একই বাসে টিকেট কেটে রেখেছিলাম তাই তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরে ব্যাগ গুছিয়ে সাভারে হানিফ বাসের জন্যে অপেক্ষা করতে থাকি।বাসের টাইম ৮:৩০ থাকলেও বাস আসে ৯ টায়।বাসে টুরম্যাটদের সাথে দেখা।সবার সাথে গল্প করতে করতে যাএা বিরতি,হালকা খওয়া দাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়লাম।
খরচ
বাস ভাড়া – ৬৫০
মধ্যরাতের খাবার – ১১৫ (নান রুটি + সবজি+ কফি)
মোট – ৬৫০+১১৫=৭৬৫ টাকা
ডিসেম্বর ১২
ঘুম থেকে উঠে দেখি অলরেডি বুড়িমারী চলে এসেছি।তখন সকাল ৮:৩০,যেহেতু আমার ভ্রমণ কর দেওয়া হয়নি তাই ভ্রমণ কর ও স্পীড মানি একসাথে ৭৫০ টাকা দিয়ে দিলাম হানিফ কাউন্টারের একজনকে।ইমিগ্রেশন খুলতে তখনও দেরি তাই নাস্তা করে অপেক্ষা করতে থাকি ।বাংলাদেশের ইমিগ্রেশন শেষ করে ভারতে প্রবেশ করে ইমিগ্রেশনের জন্য ১১০ টাকা করে দেই সবাই।ইমিগ্রেশন শেষ করতে করতে তখন অলরেডি ১২ টা বেজে যায়।ডলার ও টাকা সব রুপি করে নিলাম।(ভূটানে গুলট্রামের পাশাপাশি রুপি চলে সব জায়গায় এবং মান ও একই)। হালকা খাবার খেয়ে চেংরাবান্দা থেকে রওনা দিলাম জয়গায়ের উদ্দেশ্যে।জয়গাও ইমিগ্রেশন অফিসে এন্ট্রি করে নিলাম। তারপর ইমিগ্রেশন শেষ করে ভূটান গেট দিয়ে প্রবেশ করলাম।ভূটান ইমিগ্রেশনের সামনেই নিমার সাথে দেখা।সে আমাদের সহযোগিতা করল সব বিষয়ে।আমাদের কয়েকজনে হোটেল বুকিং দেওয়া ছিল ফুন্টসিলংয়ের কিন্তু ইমিগ্রেশন থিম্পুর বুকিং সারা গ্রহণ করে না।নিমা আমাদের সব ডকুমেন্টস রেডি করে দিল।ইমিগ্রেশনের একটা ফরম পূরণ করে এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি সহ হোটেল বুকিং জমা দিয়ে পারমিশন নিয়ে নিলাম ৭ দিনের(১২/১২/১৯-১৮/১২/১৯)।এখান থেকে ৭ দিনের বেশি পারমিশন দেয় না।৭ দিনের বেশি থাকতে চাইলে থিম্পু থেকে এক্সটেনশন করে নিতে হয়।সবার ইমিগ্রেশন শেষ করে নিমার হাইস গাড়ি নিলাম ৭ দিনের জন্যে।সবাই তখন খুবই খূধার্ত, তাই ঝটপট খেয়ে নিলাম ভেজ বিরিয়ানি।আমাদের হোটেলের দায়িত্বটাও দিয়ে দিলাম নিমার কাঁধে। সবাই খাওয়া শেষ করে রওনা দিলাম থিম্পুর জন্য।ফুন্টসিলং থেকে থিম্পু যেতে ৪ ঘন্টা সময় লাগে। পাহাড়ের মধ্য দিয়ে ছুটে চলতে শুরু করল আমাদের গাড়ি, দুই পাশের দূর পাহাড়ের লাইট দেখত দেখত গেদু চলে আসলাম।গেদুতে বিরতি নিলাম ফরমালিন মুক্ত কমলা আর কলা খাওয়ার জন্যে।ততক্ষণে নিমার আরেক গাড়ি চলে আসল।যেহেতু গাড়ি খালি ছিল তাই আমি মুনিম ও সুলতান ভাই নিমার সাথে ছোট গাড়িতে উঠি থিম্পুর উদ্দেশ্যে।ততক্ষণে হাড় কাপানো শীত শুরু হয়ে গেছে।রাত ১ টায় পৌছাই হোটেলে।ওয়েলকাম চা খেয়ে রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে শুয়ে পড়লাম। ক্লান্ত শরীর তাই সেকেন্ডের মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়লাম।
খরচ
ভ্রমণ কর ও স্পীড মানি – ৭৫০ টাকা
সকালের নাস্তা – ৪০ টাকা (রুটি +সবজি)
ভারতে স্পীড মানি – ১১০ টাকা
দুপুরের হালকা খাবার ৬০ রুপি (কেক + কলা+ পানি)
চেংরাবান্দা থেকে জায়গাও গাড়ি(বলেরু- ১০ জনের জন্য একটু চাপা চাপি হয়ে যায় ) ভাড়া – ২৫০ রুপি (২৫০০÷১০=২৫০ রুপি)
রাতের খাবার – ২২০ রুপি (ভেজ বিরিয়ানি + পানি)
কমলা ও কলা – ২০ রুপি
• ভূটানের গাড়ি ও হোটেল খরচ নিচে বিস্তারিত দেওয়া হল।
মোট
৭৫০+৪০+১১০=৯০০ টাকা
৬০+২৫০+২২০+২০=৫৫০×১.২=৬৬০ টাকা
সুতরাং – (৯০০+৬৬০)=১৫৬০ টাকা
ডিসেম্বর ১৩
সকালে ঘুম থেকে উঠতে একটু দেরি হয়ে গেল সবারই । রওনা হলাম দোচালা পাস দেখার জন্যে।পথিমধ্যে সকালের নাস্তার বিরতি।মেগী ও বীফ মোমো এবং বাথোপ খেয়ে নিলাম।যাএা শুরুর ২:৩০ ঘন্টার মাঝে চলে আসলাম দোচালা পাস। সবাই পাহাড়ের অপরূপ সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে লাগল।এ সৌন্দর্য বর্ণনায় প্রকাশ করার মত না এবং ছবিতেও তার পূর্ণতা প্রকাশ পায় না।ভাগ্যক্রমে তাদের ট্রেডিশনাল ফ্যাস্টিবল(Duchala tshachu) ও পেয়ে গেলাম।সবাই নিজ নিজ পরিবার সহ পাহাড়ের চূড়ায় উপভোগ করছে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নৃত্য।
দোচালা পাস দেখা শেষে আমরা রওনা দিলাম পুনাখার উদ্দেশ্যে।পথিমধ্যে খাবার বিরতিতে খেয়ে নিলাম বীফ ফ্রাইড রাইস।সন্ধ্যা নামার আগেই চলে আসলাম পুনাখাতে।সবাই ফ্রেশ হয়ে একটু বিশ্রাম নিয়ে খেয়ে নিলাম রাতের খাবার নিজ হোটেলেই।(আগে অর্ডার করতে হয়)।রাতের খাবার শেষে বের হলাম রাতের পুনাখা শহর দেখতে,রাস্তার আলোতে হেটে হেটে উপভোগ করতে লাগলাম দূর পাহাড়ের লাইট গুলোর মিটিমিটি আলো।প্রথম দেখায় যে কেউই তারা ভেবে ভূল করে বসবে।রাত ৯ টার দিকেই পুরো শহর জনশূন্য হয়ে পড়ে কিন্তু ভয়ের কোন কারণ নেই আপনি নির্ধিদায় ঘুরতে পারেন।রাত ১১ টায় হোটেলে এসে ঘুমিয়ে পড়লাম।
খরচ
মেগী ৫০ রুপি
মোমো ৬০ রুপি
বাথোপ ৬০ রুপি
বীফ ফ্রাইড রাইস + পানি – ১২০ রুপি
রাতের খাবার (বুফে) – ১৮০+১০℅সার্ভিস চার্জ =২০০ রুপি
মোট – (৫০+৬০+৬০+১২০+২০০)=৪৯০×১.২=৫৮৮ টাকা
ডিসেম্বর ১৪
সকাল সকাল সবাই ঘুম থেকে উঠে বেরিয়ে পড়লাম পুনাখা জং দেখার জন্য। পুনাখা জংয়ের বিপরীত পাশের (Old town cafe)তে খেয়ে নিলাম সকালের খাবার।পুনাখা জং খোলা থাকে ১১-১ এবং ৩-৫।রাফটিংয়ের জন্যে দেরি যেন না হয়ে যায় তাই জংয়ের বাইরে কিছু ছবি তুলে রওনা দিলাম রাফটিংয়ের জন্য।সবাই রাফটিংয়ের জন্য লাইফ জ্যাকেট সহ হেলমেট পরে তৈরি হয়ে গেলাম কনকনে শীতের মধ্যে ঠান্ডা পানির মঝা নিতে।আমাদের বোট চালক তার কমান্ড গুলো বুঝিয়ে দিল এবং বসার পজিশন ঠিক করে দিল। তারপর শুরু হল ১২ কি.মি রাফটিংয়ের যাএা।রাফটিং শেষে ঝুলন্ত ব্রীজের জন্যে গেলাম যা পুনাখা জং থেকে ১০ মিনিটের হাঁটা রাস্তা।৩ টার মধ্যে আমরা রওনা দিলাম থিম্পুর জন্যে।ভাগ্যক্রমে দোচালা পাসে স্নো ফল পেয়ে যাই।তাই স্নো দিয়ে খেলার সুযোগও পেয়ে যাই। সন্ধ্যার মধ্যেই থিম্পুর জন্যে উঠে পরি গাড়িতে।নিমাকে দিয়ে আগে থেকেই বুফে খাবার অর্ডার করে রাখি।থিম্পু যাওয়ার পথে খাবার বিরতিতে মেগী খেয়ে নিয়েছিলাম। হোটেলে এসে ফ্রেশ হয়ে একটু বিশ্রাম নিয়ে রাতের খাবার খেয়ে নিই।রুমে বিশ্রাম নিতে যাওয়ার সময়ই নিমার কল পেয়ে নিচে আসি আর উপভোগ করি মাইনাস তাপমাত্রায় ফায়ার ক্যাম্প সাথে হালকা মিউজিকে আকাশের চাঁদ তারার মেলা। যদিও রুমে যেতে ইচ্ছে করছিল না হোটেল ক্লোজ হয়ে যায় রাত ২ টায় তাই বাধ্য হয়েই যেতে হল।
ডিম ফ্রাইড রাইস – ১৩৫ রুপি
রাফটিং – ১০০০ রুপি
মেগী – ৫০ রুপি
ডিনার বুফে – ২৫০ রুপি
মোট –(১৩৫+১০০০+৫০+২৫০)=১৪৩৫×১.২=১৭২২
ডিসেম্বর ১৫
সকালে ঘুম থেকে উঠেই বেরিয়ে পড়ি থিম্পু সাইট সিয়িংয়ের জন্যে।সকালের খাবার শেষ করে বেরিয়ে পড়ি বুদ্ধা ট্যামপল দেখার জন্য।বুদ্ধা ট্যামপল দেখে সিমপ্লি ভূটান দেখার জন্যে যাই কিন্তু তাদের বন্ধের দিন ছিল বলে বাকীগুলো দেখা হয়ে উঠেনি।তাই থিম্পু শহর ঘুরে দেখার সুযোগও পেয়ে গেলাম।ঠান্ডা হাওয়ায় চা খেয়ে ক্লক টাওয়ার থেকে শুরু করে পুরো শহরই ঘুরে দেখতে দেখতে পেয়ে যাই ট্র্যাডিশনাল ফুড ফেস্টিভ্যাল। মোটামুটি সব ধরনেরই লোকাল ফুড ট্রাই করলাম। তারপর ক্লক টাওয়ারের পাশেই (KUNGA MOMO) রেস্টুরেন্টে রাতের খাবার খেয়ে হোটেলে বিশ্রামের জন্য চলে যাই
খরচ
সকালের নাশতা – ১২০ রুপি
চা – ২৫ রুপি
ট্র্যাডিশনাল ফুড – ১২০ রুপি
রাতের খাবার – ১৩০ রুপি
মোট –(১২০+২৫+১২০+১৩০)= ৩৯৫×১.২=৪৭৪ টাকা
ডিসেম্বর ১৬
সকালে ঘুম থেকে উঠেই পারুতে যাওয়ার জন্যে রওনা হলাম। সকালের নাশতা রাস্তার পাশেই এক রেস্টুরেন্টে খেয়ে নিলাম। উদ্দেশ্য ছিল চেলালা পাস ও হা ভ্যালী কিন্তু অতিরিক্ত বরফের কারনে রাস্তা বন্ধ থাকায় যাওয়া হয় না।তাই পারো এয়ারপোর্ট ভীও পয়েন্টে যাই।তারপর যাই ন্যাশনাল মিউজিয়ামে। ন্যাশনাল মিউজিয়াম ঘুরে সামনেই জং ঘুরলাম।তারপর পারুর নদীর পাশ ধরে হেটে উপভোগ করলাম পারুর সৌন্দর্য। তারপর চলে যাই পারু সিটি ঘুরে দেখার জন্য।নেমেই খেয়ে লাইট ফুড খেয়ে নিলাম।ততক্ষণে সন্ধ্যাও হয়ে গেল,পারু সিটি খুবই ছোট। এক ঘন্টায়ই ঘুরে শেষ করা যায়।ভূটানের স্মৃতি হিসেবে রাখার জন্য কিছু জিনিস কিনলাম।তারপর রাত ৮ টায় সবাই একসাথে যাই বুফে খাবার খাওয়ার জন্য। খাওয়া শেষে হোটেল চলে যাই।
খরচ
সকালের নাশতা – ১১০ (ফ্রাইড রাইস)
লাইট ফুড – ৫০
বুফে – ২০০
মোট – (১১০+৫০+২০০)=৩৬০×১.২=৪৩২ টাকা
ডিসেম্বর ১৭
আগে থেকেই নিমার মাধ্যমে রুটি ও ভাজি অর্ডার করে রাখি যেন দেরি না হয়।সকাল ৮ টায় সবাই বেরিয়ে পড়ি টাইগার নেস্টের জন্যে।পূর্বের অর্ডারকৃত নাশতা করে টাইগার নেস্ট চলে যাই।টিকেট করেই হাইকিংয়ের জন্যে লাঠি ভারা নেই ।হাইকিং শুরু করতে করতে ১০ টা বেজে যায়।প্রথমে হাটার গতি খুব বেশি হলেও আস্তে আস্তে তা কমতে থাকে।হাইকিংয়ের মাঝপথে ক্যাফেটেরিয়ায় একটু রেস্ট নিয়ে পানির বোতল সহ আবার যাত্রা শুরু।যাত্রার কিছুক্ষণ পরেই আবার বরফের দেখা মিলে।তাপমাত্রা কমতে থাকে সাথে অক্সিজেনের মাত্রাও।প্রথমে শ্বাস নিতে একটু খারাপ লাগলেও একটু পর ঠিক হয়ে যায়।দীর্ঘ ৩:৩০ ঘন্টা পরে জয় করলাম টাইগার নেস্ট।টাইগার নেস্ট ঘুরে চলে আসলাম নিচে।সবাই চলে আসার পরে ৪ টায় রওনা দিলাম ফুন্টসিলংয়ের জন্য।পারু সিটি থেকে বের হয়ে হাইওয়েতে একটা রেস্টুরেন্টে খাবার খাই।তারপর আবারও গাড়ী ছুটতে শুরু করে পারুর আকা বাকা রাস্তা ধরে। রাত ৯ টায় ফুন্টসিলংয়ে হোটেলে চেক ইন করে বেরিয়ে পরি ভারতে ডিনার করার জন্যে।ডিনার শেষে রাত ১১ টার দিকে চলে আসি ভূটানের হোটেলে।
খরচ
রুটি সবজি -৭০
পানি – ২০
টিকিট – ২৫০
লাঠি – ৫০
পানি – ৫০
বিকেলের খাবার – ১৫০
রাতের খাবার – ১২০
মোট – (৭০+২০+২৫০+৫০+৫০+১৫০+১২০)=৭১০×১.২=৮৫২ টাকা
ডিসেম্বর ১৮
সকালে ঘুম থেকে উঠেই কেনাকাটার জন্যে বের হলাম। সকালের নাশতাও করে নিলাম। তারপর ১২ টায় ভূটান ইমিগ্রেশন শেষ করে ভারতে প্রবেশ করি এবং রিকশায় ভারত ইমিগ্রেশনে যাই।ভারত ইমিগ্রেশন শেষ করে গাড়ি ভাড়া করি চেংরাবান্ধা যাওয়ার জন্যে।চেংরাবান্দায় এসে সব রুপি টাকায় কনভার্ট করে নিলাম। দালালকে টাকা দিলাম সব করে দেওয়ার জন্যে।ভারত ইমিগ্রেশন শেষ করে বাংলাদেশ কাস্টমসে দিলাম ৫০ টাকা।বাংলাদেশের ইমিগ্রেশন নিজে নিজেই করলাম। তারপর এস.আর ট্রাবেলসে টিকিট কেটে বুড়ীর হোটেলে খেয়ে নিই। সন্ধ্যা ৬ টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে বুড়িমারী ছাড়ল আমাদের বাস।রাত পেড়িয়ে সকালেই বাসায় এসে ঘুম।
সকালের নাশতা -৭০+২০
রিকশা ভাড়া – ২০
জয়গাও টু চেংরাবান্ধা গাড়ি ভাড়া – ৩০০
ভারতের দালাল – ৮০ রুপি
কাস্টমস – ৫০ টাকা
সন্ধ্যায় খাবার – ১৫০ টাকা
রাতে খাবার – ১৫০ টাকা
বাসের টিকিট – ৬৫০ টাকা
মোট – (৭০+২০+২০+৩০০+৮০)×১.২ + (৫০+১৫০+১৫০+৬৫০)=১৫৮৮ টাকা
ভূটানের গাড়ি
আমরা ১০ জন ছিলাম তাই হাইস গাড়ি ৬ রাত ৭ দিনের জন্য বুকিং দেই।
জনপ্রতি (২৮০০০÷১০)=২৮০০ রুপি = ২৮০০×১.২=৩৩৬০ টাকা
হোটেল
নিমার সাথে প্রথমেই কথা হয় ৫০০০ রুপিতে আমাদের ৪ টা রুমের ব্যাবস্থা করে দেওয়ার জন্য।
যেহেতু ২ টা কাপল ছিল তাই ২ রুম তাদের জন্য আর ২ রুম বাকি ৬ জনের জন্য।
এক রুমের ভাড়া ১২৫০ রুপি করে তাই জনপ্রতি ৪২০ রুপি (৪২০×১.২=৫০৪ টাকা)করে দিতে হয়েছে।
৬ রাতের জন্য (৬×৫০৪=৩০২৪) টাকা মোট হোটেল খরচ।
সর্বমোট খরচ
(৭৬৫+১৫৬০+৫৮৮+১৭২২+৪৭৪+৪৩২+৮৫২+১৫৮৮+৩৩৬০+৩০২৪)=১৪৩৬৫ টাকা + অন্যান্য খরচ ৬৩৫ টাকা = ১৫০০০ টাকা।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
• যথেষ্ট পরিমাণ গরম কাপড় নিয়ে যাবেন।
• এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি নিয়ে যাবেন।
• হোটেল বুকিং অবশ্যই থিম্পুতে দিবেন(৭ দিনের জন্য দিবেন)।
• ফুন্টসিলং থেকে ৭ দিনের বেশি পারমিশন দেয় না, তাই এর চেয়ে বেশি থাকতে হলে পরে থিম্পু থেকে সময় বাড়িয়ে নিতে হবে।
• মনেস্ট্রিতে যাওয়ার সময় শালীন কাপড় পরিধান করুন।
• জেব্রা ক্রসিং ব্যাবহার করুন।
• যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা ফেলা থেকে বিরত থাকুন।
• গুলট্রাম সবাই ভূটানেই শেষ করে আসবেন।
• ভীসার খরচ এখানে উল্লেখ করা হয়নি।
# লেখায় কোন ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ করছি।আরও কিছু জানার থাকলে জিগ্যেস করবেন উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব।

84183503_10221318866062467_6960143319489839104_n

পুণরায় চালু হচ্ছে কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন জাহাজ কর্ণফুলী এক্সপ্রেস – MUHAMMAD HOSSAIN SHOBUJ

আগামীকাল ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০ থেকে পুণরায় চালু হচ্ছে কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিনের সরাসরি জাহাজ কর্ণফুলী এক্সপ্রেস। আগামীকাল সকাল ৭ টায় কক্সবাজারের নুনিয়ার ছড়ায় অবস্থিত বিআইডব্লিউটিসি ঘাট থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। বর্তমানে জাহাজটি সেন্টমার্টিন পৌঁছাতে গড়ে পাঁচ ঘণ্টার মতো সময় লাগছে।

এর আগে ১৪ ফেব্রুয়ারি কর্ণফুলী এক্সপ্রেসের প্রপেলেশনে সমস্যা দেখা দিলে জাহাজটি কক্সবাজার ফিরতে রাত একটা বেজে যায়। জাহাজ কক্সবাজার আসার আগেই কর্ণফুলী এক্সপ্রেস কর্তৃপক্ষ জরুরি মেরামতের জন্য ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখে। এতে অগ্রীম টিকেট করে রাখা যাত্রীরা বিপাকে পড়ে। ১৫ ফেব্রুয়ারি যাদের এই জাহাজে সেন্টমার্টিন থেকে ফিরে আসার কথা ছিলো তাদেরকে বিকল্প ব্যবস্থায় দ্রুতগামী এমভি বে ক্রুজের ১ এ করে টেকনাফ হয়ে কক্সবাজার ফিরিয়ে আনা হয়।