megh machang

Due to corona, Bangladesh Travel agencies cancelled their upcoming tours

বৃত্ত-Britto Travel & Tourism, Shopnojatra Travel Group স্বপ্নযাত্রা, ভবঘুরে, Trip Bd(ট্রিপ বিডি)..Adventure & Tourism, Country Tourism Bangladesh and other renowned travel agencies cancelled their upcoming travel to several destinations, which will effect the vacation at 26th march due to spread of corona virus ( COVID – 19)

The pandemic is spreading world wide and countries are trying to stop it from all of their possible ways. Bangladesh also started to take some steps already, which includes school, college and all other educational institutions will be off till 31st march 2020

The travel agencies makes a big roll on taking the level of Bangladesh tourism sector, so this is one of the toughest but very noble step for them to prevent all travelling and spreading this pandemic

TOB ( Travelers of Bangladesh (ToB) ) which is one of the biggest and oldest travel community based in facebook, also taken steps to stop people from gathering and travelling to any destinations.

If we take our self steps, like no travelling, no shaking hands, cleaning hands frequently and no gathering for next couple of days, these may help you to keep away from this pandemic

Stay safe and keep your family safe

Information: ভ্রমনগুরু

90165007_2806011459446884_8632630303543787520_n

বাশখালি ইকোপার্ক

By কাজী শাহরিয়ার

অবারিত রূপের আধার দেখেছেন? অসহ্য রকম চোখ জুড়িয়ে যাবার মতোন সৌন্দর্য? জামদানী শাড়িতে নববধুর দীঘল চুলে কুসুম রোদে ওম নেয়ার দৃশ্য বিদেশ ফেরত যুবকের চোখে যেমন লাগার কথা! তেমনই.. আহা, কত সুন্দর করিয়া ধরণী মোদের করেছো দান। সবুজের সাথে কোথাও কুশমি রঙের মিশেল, অস্থির রকমের শান্ত কুচকুচে কালো জল,এলাকার মুরব্বি শাদা বকের চোখ এড়িয়ে অজস্র পাসপোর্ট আনতে ভুলে যাওয়া সাইবেরিয়ান পরিযাযী বালিহাঁসেদের সাথে-লোকাল পানকৌড়ির প্রেম প্রেম ভাব, সেগুন গাছেদের স্কাউট সদস্যের মত শৃংখলা, উলুবনের ঢাল, পানেদের বরজ আর ফাগুনের অস্তমিত বেলা ফুরাবার দিনে কোকিলের কুহুতানের মিশের ফ্লেভর নিতে কেমন লাগবে আপনার? তাও যদি হয়, গুড়ুম পানসি নৌকায় অযান্ত্রিক গভীর গহীন ঝিরিপথের অন্দরে.. অউফস… আমার শব্দ ভান্ডার এখানে ফুরিয়ে যাতেছে.. মাথায় আতেছে..কিন্তু রিদমিক কীবোর্ডে লিখা যাতেছেনা..😊

প্রকৃর এমন অবাক রূপের মোহনা আমাদের বাঁশখালীর প্রতি প্রান্ত এধারওধার। আপনি হয়তো বলবেন ধূর ছাই, এইখানে কিচ্ছু নাই..

আমি বলবো, মোনের চোখ খুলে দিন,মেলে দিন অদৃশ্য অতলান্তিক মোনের ডানা। মেঘ দেখে প্রেয়সীকে কাছে আসার আহবানে উন্মত্ত তাগড়া ময়ূরের মত পেখম মেলে দিন বাংলাদেশের এই অপার দরীয়া পাড়ের গাঁও গেরামের কিসসায়। রোদ চশমা পড়ে নিন, রহমানুর রাহিম এই অসহ্য সৌন্দর্য অবগাহনের যথেষ্ট শক্তি আপনার কর্নিয়াদ্বয়কে দেননি😊

প্রভূ সারা বাংলাদেশটাকে কুন ফা এয়া কুনের হকুমে ঢেলে সাজিয়ে দিয়েছেন। আমরা অমানুষেরা চলার রাস্তায় চৌরাস্তা বেঁধে রেখেছি৷ দু’ধারের বিস্তৃত রূপুনি, রাস্তাটা যেন সদ্য তালাকপ্রাপ্ত আধপ্রৌঢ়বয়সী কসিমুদ্দি!🙄

এসব অযুহাত ছাড়ুন, দৃষ্টি মেলে দিন.. ঘর হতে দুই পা ফেলিয়া, একটি ধানের শিষের উপর কয়েকটি শিশির বিন্দুতে..
.
কিছু সুস্থির চিত্রা হরিণচিত্র সন্নিবেশিত হোল। গরীবের মোবাইল ক্যামেরার দোষ দিয়েন সমস্যা নেই। তবে এর রূপকথাচিত্র হাজার গুনে চমকিত করবে সত্য, আই গ্যারান্টি।


যারা ঘুরতে পসন্দ করেন, ঢুঁ মেরে আসুন। বাঁশখালী আসার মান্দাত্তা আমলের রাস্তা-নিম্নমানের গাড়ি, পার্কের অব্যবস্থাপনার জন্যে আমি দায়ী নই🙄🙏 চট্টগ্রাম থেকে বহদ্দার হাট বাস টার্মিনাল থেকে বাঁশখালী সুপারে ৮০ টাকায় অথবা সিনেমা প্যালেস থেকে এস আলমে ১২০ টাকা খরচায় মনছুরিয়া বাজার নামবেন, সেখানে সি এনজি অটো অপেক্ষা করছে আপনার জন্যে। সি এনজি ভাড়া প্রতি জন কুড়ি টাকা অটোয় ত্রিশ টাকা নেবে৷ পার্সোনাল ভিহিকেলস হলে পার্কিং খরচ দিতেই হবে। গেটে মাত্র কুড়ি টাকার টিকিটে অন এয়া হবেন। নৌকা ভ্রমণে যারে যা ঠকাতে পারেন মাথায় রেখে দরদাম করবেন😊 দুনিয়ায় ফিক্সড রেট বলতে কিছুই নেই, ফিক্সড রেটে বাটা কোম্পানিও ডিস্কাউন্ট দেয়.. হা হা


.
🎖উপরি হিসেবে দেখে আসতে প্ল্যানে রাখুন, পুকুরিয়ার বিস্তৃত বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ চা বাগান, ৪০০বছরের ঐতিহ্যবাহী বখশি হামিদ জামে মসজিদ,বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত।
.
🕵যে কোন সমস্যার জন্যে ৯৯৯ – এর সাহায্য নিন😊 বড় আয়োজন বা ছোট সমস্যা হলে আমাকে জানান।
.
🎙যথেষ্ট বিন লটকানো আছে। প্লিজ চিপস কফি বা বোতল সংক্রান্ত আবর্জনা ফেলে লেকের পানি নস্ট করবেন না। দেশটা তো আমাদেরই💕

89274267_643221242917893_3017807686193381376_n

চলুন যাই ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে ইলিশ ভোজনে ডে ট্যুরে

চঁন্দ্রবিন্দু – Chandrabindu Travel Group এবার যাচ্ছে আপনাদের নিয়ে ডে ট্যুরে ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে ইলিশ ভোজনে। সাথে থাকছে বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, ধলেশ্বরী ও মেঘনায় লঞ্চ ভ্রমন, তিন নদীর মোহনায় ভ্রমন ও নৌকায় করে নদীর চরে ভ্রমন। ব্যস্ত জীবন থেকে মুক্তি পেতে পরিবারের সবাই মিলে মনোমুগ্ধকর ও প্রাকৃতিক পরিবেশে একটি দিন কাটিয়ে আসতেই আপনাদের জন্য আমাদের এ আয়োজন।

আমাদের সাথে ছেলে-মেয়ে সবাই যেতে পারবেন। তাই এই ইভেন্ট আপনার টাইমলাইনে শেয়ার করুন যাতে আপনার পরিচিত বন্ধু মহল ও আপনার সাথে যেতে পারেন। যারা ১০০% নিশ্চিত যাবেন তারা অনুগ্রহ করে Going বাটনে ক্লিক করবেন। আর যারা শিওর না বা সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না যাবেন কি যাবেন না তারা Interest বাটনে ক্লিক করে রাখলে আমাদের পরবর্তী আপডেট সমূহ পেয়ে যাবেন।

# যাত্রার সময়ঃ ২১ মার্চ ২০২০ শনিবার (ছুটির দিন) সকাল ৮.০০ টায় সদরঘাট থেকে।
# ফেরার সময়ঃ ২১ মার্চ ২০২০ রাত ৮.০০ টায়।
# ইভেন্ট ফিঃ ৯৯৯ টাকা জনপ্রতি।
# বুকিং এর শেষ তারিখঃ ১৮ মার্চ ২০২০।
# শিশু পলিসিঃ ** ০ থেকে ৪ বছরঃ কোন ফি লাগবেনা (খাবার এবং গাড়ীর বা লঞ্চের আসন বাবা মায়ের সাথে শেয়ার করবে)।
# বুকিং মানি ৫১০ টাকা বিকাশ করতে হবে। বাদ বাকি টাকা ট্যুরে যাত্রার দিন কালেক্ট করা হবে। মেীখিক কনফার্মেশন গ্রহনযোগ্য নয় ।
# পেমেন্ট পদ্ধতিঃ বিকাশ – 01716595556 (পারসোনাল) ।
বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ: 0 1 7 1 3 3 3 1 3 9 3 (খালিদ)



ভ্রমন সংক্রান্ত তথ্য ও সেবা পেতে এবং আমাদের পরবর্তী সকল ইভেন্টের আপডেট পেতে যুক্ত হতে পারেন আমাদের ফেসবুক গুরুপে এবং লাইক দিয়ে রাখতে পারেন আমাদের ফেসবুক পেজে ।
আমাদের গুরুপ লিংক: https://www.facebook.com/groups/464791113874779/
পেজ লিংক : https://www.facebook.com/Chandrabindu321/
যে কোন প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন : 0 1 7 1 3 3 3 1 3 9 3 (খালিদ)

***প্যাকেজে যা যা থাকবে:
# ঢাকা- চাঁদপুর-ঢাকা ওপেন ডেকে লঞ্চে যাওয়া আসার টিকেট।
# দুপুরের খাবার, বিকালের হালকা চা নাস্তা।
(দুপুরের খাবার চাদপুর ঘাটে নদীর ইলিশ দিয়ে স্পেশাল ভাবে)
# পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর মোহনায় নৌ- ভ্রমণ।
# তিন নদীর মোহনা ও রক্তধারা পার্কে যাতায়াতের সকল লোকাল যানবাহন খরচ।
# ওয়ান মিনিট আইসক্রিম শপের আইসক্রিম
# দক্ষ গাইড

***ভ্রমণ বিস্তারিত:
# সকাল ৮ টায় সদরঘাট থেকে চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে বিলাশ বহূল লঞ্চের ডেকে রওনা হবো । একে একে বুড়িগঙ্গা, শীতালক্ষ্যা ও ধলেশ্বরী নদীর সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে করতে বেলা ১১ টায় চাঁদপুর পৌছাবো।
# লঞ্চ থেকে নেমে অটোতে করে চলে যাব রক্তধারা পার্ক ও পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর মোহনায় যা তিন নদীর মোহনা নামে পরিচিত।
# এরপর সেখান থেকে নৌ-ভ্রমন করে চলে যাব আশেপাশের কোন এক চরে। সেখানে নদীর পানিতে গোসল ও ঝাপাঝাপি করে নিব।
# সেখান থেকে ফিরে বেলা ০২ টায় চাঁদপুর ঘাটের বিখ্যাত ইলিশ ভোজনে চলে যাব । নদীর ইলিশের সাথে বিভিন্ন রকমের ভর্তা ভাজি দিয়ে জম্পেশ খাওয়া দাওয়া হবে।
# বেলা ৩:০০ টায় আমরা চলে যাব চাঁদপুরের বিখ্যাত ওয়ান মিনিট আইসক্রিম শপের আইসক্রিম খেতে।
# এরপর বিকাল ০৪:০০ টার লঞ্চে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবো
# লঞ্চে থাকবে হালকা চা নাস্তার ব্যবস্থা।
# ইনশাআল্লাহ রাত ৭/৮ টার দিকে ঢাকা পৌছে যাব।

*** খাবার মেন্যু : –
১) দুপুরে : নদীর ইলিশের সাথে বিভিন্ন রকমের ভর্তা, ভাজি, ডাল ও মিনারেল ওয়াটার।
২) বিকালে : হালকা চা নাস্তা।
৩) চাঁদপুরের বিখ্যাত ওয়ান মিনিট আইসক্রিম শপের আইসক্রিম

***যা যা থাকবে নাঃ
১) ব্যক্তিগত মেডিসিন।
২) ব্যক্তিগত খরচ।
৩) প্যাকেজে উল্লেখ নেই এমন যেকোন ধরনের খরচ, খাবার, রাইড ও দর্শণীয় স্থানের টিকেট।

***যা সাথে নিতে হবে :-
১) ছাতা বা ক্যাপ
২) ক্যামেরা
৩) সানগ্লাস
৪) পাওয়ার ব্যাংক

***ট্যুরে যাবার নিয়ম নির্দেশনা:
# প্রথমেই একটি ভ্রমণ পিপাসু মন থাকতে হবে ।
# ট্যুরে যাবার আগে খুব ভালো করে ট্যুরের বিস্তারিত বর্ণনা পরে নিতে হবে। বিস্তারিত না জেনে ট্যুরে এসে অহেতুক জামেলা করে বাকি সবার ট্যুরের আনন্দ নষ্ট করা যাবেনা।
# ট্যুরের কোনো প্ল্যান পরিবর্তনের একমাত্র ক্ষমতা থাকবে শুধুমাত্র ট্যুর অপারেটরের/ গাইডের।
# অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে যে কোন সময় সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে, সেটা মেনে নেওয়ার মনমানসিকতা থাকতে হবে ।
# ট্যুরে এসে নিজে নিজে কোনো সিদ্ধান্ত নিবেন না. সবসময় ট্যুর অপারেটরের/ গাইডের নির্দেশিত পথে চলতে হবে।
# একা কোথাও গেলে এক মাত্র ট্যুর অপারেটরের/গাইডের সাথে আলোচনা করে যাবেন।
# ট্যুর শেষ হবার আগে কেউ চলে যেতে চাইলে অপারেটরের/গাইডের সাথে আলোচনা করে যাবেন। সেক্ষেত্রে ট্যুরের নিয়ম ভঙ্গ হয়েছে বলে বিবেচিত হবে. নিজ খরচে বাড়ি ফিরতে হবে।
# ট্যুরে এসে আপনার দ্বারা কোনো কিছুর ক্ষতি হলে বা ঝামেলার সৃষ্টি হলে এর জন্য সম্পূর্ণ আপনি দায়ী থাবেন। এর সকল দায়-দায়িত্ব আপনার।
# স্থানীয়দের সাথে কোন রকম বিরূপ আচরণ করা যাবে না । নতুন কারো সাথে কথা বলার ক্ষেত্রে প্রয়োজনে ট্রিপ হোস্টের সহায়তা নিতে হবে
# ট্যুর প্ল্যানের বাহিরে ব্যক্তি গত খরচ আপনাকেই বহন করতে হবে।
# কোনভাবেই কোন প্রকার মাদক সেবন বা সাথে বহন করা যাবে না । সাথে পাওয়া গেলে তাকে বা তাদেরকে তৎক্ষণাৎ ট্রিপ থেকে বহিষ্কার করা হবে ।
# ভ্রমণের জন্য যে কেও আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন । ছেলে/ মেয়ে সকলেই যেতে পারবেন, তবে অবশ্যই পুরোটা পড়ে নিয়ে নিশ্চিত হয়ে কনফার্ম করতে হবে।
# যেকোনো দরকারে অপারেটরের/গাইডের সাথে আলোচনা করুন।
# সকল বিষয়ে সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।
*এই গ্রুপ সম্পূর্ণ ভ্রমণপিপাসুদের গ্রুপ । এখানে কোন প্রকার অশ্লীলতার কোন রকম সুযোগ নেই । কোন রকম অসৎ উদ্দেশ্যে যদি কেও আমাদের সাথে ভ্রমণে যান, সেটি বুঝে যেতে আমাদের খুব বেশি সময় লাগে না। এবং সেই মোতাবেক আমরা ব্যবস্থা নিবো*

অঙ্গীকারঃ

আমি উপরের সব নিয়ম পড়েছি এবং এই ট্যুরের প্রকৃতি, ঝুঁকি সম্পর্কে অবগত হয়ে, আমি এই মত প্রকাশ করছি যে সমস্ত ঝুঁকি জেনেও নিজ দায়িত্বে আমি এই ট্যুরে যেতে রাজি হয়েছি এবং এই ট্যুর চলাকালে আমার নিরাপত্তা এবং কর্মের জন্য পূর্ণ দায়িত্ব আমার নিজের। এই ট্যুরে যদি কোন আঘাতপ্রাপ্ত হই, জান অথবা সম্পদের যদি কোন ক্ষতি হয়, তাহলে আমি বা আমার পরিবার বা আত্মীয়স্বজন চঁন্দ্রবিন্দু ট্রাভেল গ্রুপ বা এর কোন সদস্যকে এর জন্য দ্বায়ী করতে পারবে না।

বি : দ্র :- আমরা কম খরচে স্কুল,কলেজ ,বিশ্ববিদ্যালয় ও কর্পোরেট অফিস এর ট্যুর আয়োজন করে থাকি।
যে কোন প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন : 0 1 7 1 3 3 3 1 3 9 3 (খালিদ)

সবাইকে সাদর আমন্ত্রণ ।
এটি “চন্দ্রবিন্দু – CHANDRABINDU TRAVEL & TOURISM” এর একটি নিজস্ব লাভজনক ইভেন্ট।
ফেসবুক পেজঃ https://www.facebook.com/Chandrabindu321/
ফেসবুক গ্রুপঃ https://www.facebook.com/groups/464791113874779/



89439065_2278615245574456_3542675547580530688_o-1

আমার দেখা কেরানীগঞ্জ

By Azizul Islam

ও ইনসার আলীর খুদের খিচুড়িঃ
বালির শহর, ধুলার শহর,তারের শহর,জ্যামের শহর, তারপরেও এটাই আমাদের প্রানের শহর।
এ শহরের হাজারো বিড়ম্বনা ছেড়ে কিছুটা গ্রামের হাওয়া গায়ে লাগাতে চাইলে কেরানিগঞ্জকে বেছে নিতে পারেন।


গ্রাম আর শহরের মিশ্রনে কেরানীগঞ্জ ঘুরতে আপনার খারাপ লাগবেনা,এখানে পাবেন গ্রাম,পাবেন গ্রামের মাঠ,পাবেন ধলেশ্বরী নদী,আর ধলেশ্বরী নদীর পাড়ের মুক্ত বাতাস যদিও সব জায়গায়তে এই মুক্ত বাতাস পাবেন্না,


আর ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত হয়ে গেলে আপনি চলে যেতে পারেন ইনসার আলীর খুদের খিচুড়ি খেতে,সোহানা হোটেল নামেই পরিচিত,
এই খুদের খিচুড়ির একটা অন্য রকম স্বাদ আছে,বিশেষ করে যারা সাইকেল রাইডে যান তাদের কাছে এটা বিশেষ প্রিয়।

বিঃদ্রঃ-১০ রকম ভর্তা এখন নাই ভর্তা ৬/৭ রকমের করে এখন,আর মাংস খিভুড়ি খেতে চাইলে,আপনাকে অবশ্যই শুক্রবারে জেতে হবে।
#যাতায়াত মাধ্যম:–মুলত এই কেরানিগঞ্জের অলিগলি ঘুরতে গ্রামের স্বাদ পুরাপুরি ভাবে নিতে,আর ধলেশ্বরী নদির সৌন্দর্য দেখতে চাইলে আপনাকে বাই সাইকেল নিয়ে বের হতে হবে,মোটর বাইক নিয়ে বের হলেও কিছুটা পাবেন।

👉👉আপনি যে কোন জায়গা থেকে চলে আসুন
মোহাম্মাদপুর সি এনজি স্ট্যান্ড -সেখান থেকে সি এন জি লোকাল সিস্টেমে ইস্পাহানী কলেজ,(৩০-৪০ টাকা)।তারপরে অটো বা রিকসায় সরাসরি গোয়ালখালী সোহানা হোটেল।-১৫/২০

🚓🚓বাবুবাজার ব্রিজ থেকে কদমতলী নামবেন লেগুনা/বাসে করে। ভাড়া ১০ টাকা। তারপর কদমতলী থেকে অটো যায়। পার পারসন ভাড়া ৫০ টাকা। 🙂

🚕আপনারা আটিবাজারের মোড় থেকে সি এনজি রিজার্ভ করেও এই রাস্তা দিয়ে ঘুরতে ঘুরতে যেতে পারেন ২০০/২৫০ টাকা নিবে বড় জোর।

#আমাদের ভ্রমনের গল্প ছবি গল্প আকারে লেখা আছে চাইলে পড়ে নিতে পারেন।

🙏আপনার দারা সৃষ্ট ময়লা আবর্জনা যেখানে সেখানে না ফেলে নিদিষ্ট স্থানে ফেলুন।

87031861_3116409545056537_154012463468118016_n

ক্রিসতং এবং রুংরাং অভিযানে জোছনাতরী

Jochhnatori (জোছনাতরী) – A Travel Group আগামী ১৯শে মার্চ যাচ্ছে একটা অন্য রুটে একটু বুনো ট্রেইলে পাহাড়ের স্বাদ নিতে। যাচ্ছে আলিকদমের ক্রিসতং ও রুংরাং পাহাড় সামিট করতে।
রুংরাং অর্থ ধনেশপাখি। পাহাড়ীরা ধনেশপাখিকে রুংরাং বলে। রুংরাং পাহাড়ে আগে প্রচুর রুংরাং পাখি দেখা যেত।

কির্স তং চিম্বুক রেঞ্জের অন্তর্ভুক্ত এবং এবং কির্স তং চিম্বুক রেঞ্জের সবচেয়ে উঁচু পাহাড়।
উচ্চতার দিক দিয়ে কির্স তং প্রায় ৩০০ ফিট উঁচু রুংরাং এর চেয়ে। কির্স তং এর আনুমানিক উচ্চতা ২,৯৫০ ফিট এবং রুংরাং এর উচ্চতা আনুমানিক ২,৬৫০ ফিট।

পুরো ডিটেইল পড়ে সিওর হয়েই গোয়িং দিবেন নতুবা ইভেন্টের পরবর্তী আপডেট পেতে ইন্টারেস্টেড দিয়ে রাখতে পারেন।
যাত্রার তারিখ : ১৯শে মার্চ রাত ১০.০০টায়।
ফেরার তারিখ : ২৩শে মার্চ সকাল ৬ টায় ।

ভ্রমণের খরচ: জনপ্রতি ৫৫০০/- টাকা ।
সময়কালঃ ৪রাত, ৩ দিন (আসা, যাওয়া সহ)
যোগাযোগ ঃ ০১৭৯৩১৮৩৫০৮
আসন সংখ্যা ঃ ১২জন
আমাদের কোন প্যাকেজে কোন প্রকার হিডেন চার্জ নেই।

বুকিং: ১২ই মার্চের মাঝে ২০০০/- টাকা ইভেন্ট হোস্টের কাছে পাঠিয়ে আপনার বুকিং কনফার্ম করুন।

আপনার প্যাকেজটি দুটি উপায়ে বুকিং কনফার্ম করতে পারেনঃ

১। ব্যাংক ডিপোজিট এর মাধ্যমে বুকিং কনফার্মঃ
#DBBL Bank Account:
Account Name: Md. Akram Hossain
Account No: 107.151.105382

২। বিকাশ কিংবা রকেট এর মাধ্যমে বুকিং কনফার্মঃ
01793183508 (Bkash-Personal)
016842877109 (Rocket)
ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ ট্যুর_বিস্তারিত ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ

১৯শে মার্চ
– ঢাকা থেকে রাতের নন-এসি বাসে ঢাকা ত্যাগ করে আমরা রওনা হবো আলিকদমের উদ্দেশ্যে ৷

২০শে মার্চ
সকাল বেলা বান্দরবান থেকে লোকাল বাস/ জীপে করে ১৩ কিলো। পথিমধ্যে নাস্তা করে নিবো। ১৩ কিলো থেকে নিচে নেমে মোটামুটি ঝিরি ধরে ২ ঘন্টা চললেই পৌছে যাবো মেনকিউ পাড়া ৷রাতে মেনকিউ পাড়ায় পাহাড়ি ঘরে থাকবো।

২১শে মার্চ
ভোরে শামুক ঝিরি হয়ে আমরা মেনিয়াঙ্ক পাড়া হয়ে রুংরাং সামিট এর চেষ্টা করবো ৷ তারপর রুংরাং থেকে চলে যাবো পারাও পাড়া তে৷সারাদিন আমাদের শুকনো খাবার খেয়েই থাকতে হবে।রাতে থাকবো পারাও পাড়া তে ৷

২২শে মার্চ
খুব ভোরে কির্স তং এর উদ্দেশ্যে রওয়ানা৷ কির্স তং থেকে আমরা ট্রেকিং করে চলে আসবো ২২ কিলো ৷ দুপুরে শুকনো খাবারই ভরসা। সেখান থেকে জ্বীপে করে আবার আলিকদম এসে রাতের নন-এসি বাসে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা।

২৩শে মার্চ
আনুমানিক ভোর ৭টার দিকে ঢাকা থাকবো।

*যা যা থাকছে এর মধ্যে :
– নন এসি বাস টিকেট (শ্যামলী)
– খাবার খরচ
– চান্দের গাড়ি ভাড়া
– গাইড এর খরচ
** যা থাকছেনাঃ
– কোন ব্যক্তিগত খরচ
– বাসের যাত্রাবিরতির খাবার

** যা সাথে নেওয়া উচিতঃ
-ন্যাশনাল আইডি কার্ড’এর ফটোকপি
– গামছা , ২টা টিশার্ট এবং ২টা থ্রি কোয়াটার প্যান্ট
– ট্র্যাকিং এর জন্য খুব পাতলা জুতা। আলিকদম বাজারেও পাওয়া যায়। দাম ১৫০ টাকা
– ছোট টর্চ
– সানগ্লাস, হ্যাট, সানস্ক্রিন (যদি অতিরিক্ত ত্বক সচেতন হন)
– চার্জের জন্য পাওয়ার ব্যাংক
– বৃষ্টি হলে আপনার ব্যাগ সেইভ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে নিবেন।

87045785_2667861833292343_4297440887924850688_n

কাশ্মীর,রাজস্থান,আগ্রা ভ্রমণবৃত্তান্ত

By Taseen Afrid

আমাদের রুট ছিল –

” ঢাকা-কলকাতা-জম্মু-শ্রীনগর-পাহালগাম-জম্মু-চন্ডিগড়-বিকানের-জয়সালমের-যোধপুর-উদয়পুর-চিত্তোরগড়-জয়পুর-আজমির-আগ্রা-কলকাতা-ঢাকা “

আমি প্রথমেই সময় এবং খরচের কথাটা বলে নিব l “১৭ দিনে” আমাদের লেগেছিল আনুমানিক “২৫ হাজার” টাকার মতো l আমরা ৮ বন্ধু ছিলামl সবার কাছে একটু সময় নিয়ে পড়ার অনুরোধ রইল lলেখায় ভুলভ্রান্তি থাকলে আশা করি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন l আমি এইখানে বিস্তারিত তুলে ধরার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব l

পূর্বপ্রস্তুতি;

১.আমরা সবাই বেনাপোল-পেট্রাপোল বর্ডার ব্যবহার করেছিলাম l তাই এক্সট্রা পোর্ট এন্ট্রি এর দরকার নেইl

২.ইন্ডিয়ান ৭ টি রুটের ট্রেন এর সব টিকেট আমরা এক মাস আগেই করিয়ে রেখেছিলাম বাংলাদেশ থেকে কারণ ওখানে গিয়ে এতগুলো টিকেট সংগ্রহ করা সময়সাপেক্ষ ও কষ্টসাধ্য ব্যাপার,সঠিকভাবে বাংলাদেশ থেকেই প্ল্যান মাফিক টিকিটগুলা করবেন হাতে পর্যাপ্ত সময় নিয়ে l

৩.শীতের জন্যে পর্যাপ্ত জামাকাপড় রাখবেন l

৪.যেহেতু এইটা সম্পূর্ণই ট্রেন জার্নি ছিল এবং আমাদের ছিল নন এসি স্লীপারl তাই সাথে কম্বল নিতে ভুলবেন না l

৫.ঢাকা থেকে কলকাতা/বেনাপোল যদি ট্রেন এ যেতে চান তাহলে আগেই টিকেট করে রাখুন l কিন্তু বেনাপোল এক্সপ্রেস এ না যাওয়াই উত্তম 

-_- প্রয়োজনে বাস এ যান l

আমি এখন দৈনিক ভিত্তিতে ভ্রমণবৃত্তান্ত তুলে ধরছি ;

কাশ্মীর পর্ব :-

দিন ০১ – রাত ১১ টার বেনাপোল এক্সপ্রেস আসে ১ টায়,যাত্রা শুরু কমলাপুর থেকে l

দিন ০২- সকালে বেনাপোল নেমে বর্ডার পার হয়ে গেলাম,তারপর ৩০ রুপিতে বনগাঁ,২০ রুপিতে শিয়ালদাহ,ওখান থেকে হলুদ ট্যাক্সিতে হাওড়া l লকারে ব্যাগ রেখে রাতের কলকাতা ঘুরে ১১;৪৫ এ হিমগিরি এক্সপ্রেস এ উঠেই ঘুমl

দিন ০৩ -আড্ডা-ঘুম দিতে দিতে দিন পার আর সাথে ছিল ইন্ডিয়ান রেলওয়ে এর বাজে খাবারl

দিন ০৪ – ১ টার দিকে জম্মু পৌঁছলাম ৩৬ ঘন্টা জার্নি করে l জম্মু রেলস্টেশন থেকে কাশ্মীর এর প্যাকেজ কিনলাম পার পারসন ৪০০০ রুপি করে (সকল ট্রান্সপোর্টেশন,হোটেল ভাড়া)

দুপুরে রওনা শুরু করলাম,পাঞ্জাবি ধাবায় খাওয়া পথিমধ্যে l কিন্তু ওয়ান ওয়ে ট্রাফিক এর জন্যে পথে ৫-৬ ঘন্টা দেরি করে শ্রীনগর পৌছালাম ভোরে l

দিন ০৫ – শ্রীনগর এ নেমে হোটেলে ফ্রেশ হয়ে গেলাম গুলমার্গ(বরফের স্বর্গ),বরফের রাইড গুলাও নিলাম গাইড এর সাহায্যে l আসার পথে কাশ্মীরি শাল আর ড্রাই ফ্রুটস কিনলাম l রাতে খেলাম ট্র্যাডিশনাল”kashmiri wazwan” পার পারসন ৫০০ রুপি দিয়ে,খেয়েই ঘুম l

দিন ০৬ – সকালে গেলাম পরিমহল তারপর ডাল লেক এ বোটিং করলাম ২ বোট নিলো ১০০০ রুপি l বোটিং করে গেলাম পাহালগাম l পাহালগাম নেমেই স্নোফল পেলাম,দেরি না করে চলে গেলাম বাইসারণ ভ্যালি ঘোড়ায় চড়ে l পার পারসন নিলো ৩০০ রুপি করে l সৌন্দর্যের বর্ণনা যদি দিতে চাই তাহলে লিখে শেষ করা যাবে না l ভ্যালি থেকে এসে খেয়ে কাশ্মীরি বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে ঘুম l

দিন ০৭ – সকালে উঠে জম্মু তে ফেরত যেতে নিলে পুলিশ কাজিগুন্দ থেকে গাড়ি যেতে দেয় না,তাই আমরা বরফে ঢাকা কাশ্মীরি গ্রামগুলা ঘুরলাম সারাদিন ধরে আড্ডা দিয়ে পরদিন সকালে পৌঁছলাম জম্মু l

দিন ০৮ – জম্মু নেমে এসি বাস নিয়ে চলে গেলাম চন্ডিগড়,ভাড়া ৬০০ রুপি জনপ্রতি l ৬ ঘন্টা লাগলো ৩৫০ কিলো যেতে l নেমে চলে গেলাম রেলস্টেশনে , রাত ১১ টায় ছিল ট্রেন বিকানের এর উদ্দেশ্যে l

রাজস্থান পর্ব :-

 দিন ০৯ – বিকানের নেমে ৫০০ রুপিতে ৮ জনের অটো ভাড়া করি বিকাল পর্যন্ত l এর মধ্যে আমরা জুনাগড় ফোর্ট, জৈন মন্দির,কারনি মাতা মন্দির,লালগড় প্যালেস,রামপুরিয়া হাভেলি,গজনের প্যালেস,লক্ষীনাথ মন্দির,সুরসাগর লেক দেখে ফেলি l পরে ৬ টায় ট্রেনে করে চলে যাই জয়সালমের l পৌঁছায় রাত ১২ টায় l

দিন ১০ – জয়সালমের হোটেল ভাড়া ৩ রুমের জন্যে ৫০০ রুপি হোটেল মনিকা l তারপর পার পারসন ২০০০ রুপিতে প্যাকেজ নেই ডে ট্যুর এর(সিটি ট্যুর + ডেজার্ট সাফারি) l সিটি ট্যুর এ ৭ টা প্লেস ছিল অলমোস্ট আর ডেজার্ট সাফারিতে ছিল ক্যামেল রাইড,জীপ্ রাইড,বুফে ডিনার,কালচারাল নাইট,ট্রান্সপোর্টেশন টু রেলস্টেশন l বার-বি-কিউ করেছিলাম পার পারসন ১৫০ রুপি দিয়ে l রেলস্টেশন নেমে আমরা যোধপুর এর ট্রেন এ উঠে পড়ি রাত ১২ টার ট্রেন ছিল ওটা l

দিন ১১ – সকালে নেমে যাই যোধপুর সিটিতে (ব্লু সিটি) l পার পারসন ১৫০ অটো ভাড়া দিয়ে যোধপুর সিটি এর ফোর্ট গুলা ঘুরে দেখি বিকাল পর্যন্ত l মেহেরাঙার ফোর্ট,যশবন্ত ঠাডা,উমেদ প্যালেস,কায়লানা লেক দেখে বিকালে স্টেট বাস এ করে ২৭৫ রুপি দিয়ে চলে যাই উদয়পুর l উদয়পুর নামলাম রাত ১২ টায় l বাস স্ট্যান্ড এর পাশেই রুম নিলাম গড়ে ২৫০ রুপি করে পারহেড l

দিন ১২ – সকালে উঠে ৮ জনের অটো ভাড়া করলাম ৭০০ রুপিতে ডে ট্যুর এর জন্যে l উদয়পুরের ৬-৭ টা ফোর্ট দেখার পর একটু রেস্ট নিয়ে চলে গেলাম চিত্তোরগড় l বাস ভাড়া ১০০ রুপি l নেমেই ১০০০ রুপিতে একটা অটো ভাড়া করে চলে গেলাম চিত্তোরগড় ফোর্ট দেখতে(মূল আকর্ষণ) l এখানে গিয়ে রাজপূত রতন সিংহ,রানী পদ্মিনী,আলাউদ্দিন খিলজী সব কাহিনী যেন আমরা সবাই অবলোকন করতে পারছিলাম l ফোর্ট থেকে ফায়ার ধর্মশালায় ৮ জনের একটা রুম ৫০০ রুপিতে নিয়েছিলাম খানিকটা বিশ্রামের জন্যে l ওদিন রাতে চলে যাই ট্রেন ধরে জয়পুর l ট্রেন ছিল রাত ১২ টায় l

দিন ১৩ – জয়পুর নেমেই হোটেল ঠিক করলাম পারহেড ২৫০ রুপিতে l তারপর ১৩০০ রুপিতে একটা ইনোভা ভাড়া করলাম সব স্পট ঘোরার জন্যে l আমরা হাওয়া মহল,জানতার মানতার,সিটি প্যালেস,নাহারগড় ফোর্ট,পিঙ্ক সিটি,বিরলা মন্দির,জলমহল,রাজ্ মন্দির,আমির ফোর্ট দেখলাম l শপিং সন্ধ্যায় শেষ করে ঘুমিয়ে পড়লাম l

দিন ১৪ – সকালে ভোরে ৬ টার ট্রেন ধরে ৬০ রুপিতে গেলাম আজমির ২ ঘন্টায় l ওখানে পার হেড ১০০ রুপি অটো করে আজমির শরীফ এবং পুষ্কর দেখে ২ টার ভিতর জয়পুর ফিরলাম l ৩ টায় ট্রেন ছিল জয়পুর তো আগ্রা l রাত ৯ টায় আগ্রা পৌছালাম l পৌঁছে হোটেল নিলাম ২০০ রুপি পারহেড l

আগ্রা পর্ব :-

দিন ১৫ – সকালে উঠে ব্রেকফাস্ট করে চলে গেলাম শাহজাহানের তাজমহল দেখতে পারহেড ৭৫০ রুপি করে l তারপর ১০০ পারহেড এ অটোতে করে আগ্রাফোর্ট,ইতমাদউদ্দৌলা,মেহতাব বাগ ঘুরে নিলাম সন্ধ্যার মধ্যে l রাতে ম্যাকডোনাল্ড এ খেয়ে ঘুমালাম ভোর ৪ টা পর্যন্তু কারণ ভোর ৫ টায় হাওড়ার ফিরতি ট্রেন ছিল l

দিন ১৬ – সারদিন ট্রেন এ কাটালাম ক্লান্ত শরীর সবার l সারাদিন ট্রেন এ ঘুমিয়ে ফ্রেশ হলাম আড্ডা দিয়ে রাতে l

দিন ১৭ – ভোরে হাওড়া নামলাম এবং ওদিন এ কলকাতা থেকে ঢাকা চলে আসলাম l

খরচ(পারহেড) :-

৭ টা রুটের ট্রেন টিকেট একসাথে পার পারসন পড়েছিল ৪৫০০ টাকা(১ মাস আগে করেছিলাম)

টিকেট গুলার নমুনার জন্যে নিচের লিংক টি দেখতে পারেন-

https://drive.google.com/drive/folders/15sS7vLz7-yaZiiPu2gRybRdu2d_QYmQc?fbclid=IwAR0SEC7dSAaERu4ag4LGtvc-D6fZCB2OU2Y_JxFC8Pli2z5ZnAE_k0kUY5w

কাশ্মীর- ৪০০০ রুপি প্যাকেজ আর ৪০০০ রুপি খাওয়া,এন্ট্রি ফী,বিভিন্ন রাইড এবং এক্সট্রা একটিভিটিস (আপনারা চাইলে কমাতে পারেন এই খরচ)=৮০০০ রুপি

রাজস্থান- ৬৫০০ রুপি সব খরচ মিলিয়ে(ট্রেন টিকেট বাদে)

আগ্রা- ১৫০০ রুপি সব খরচ মিলিয়ে

আর ঢাকা-কলকাতা আসা যাওয়া,ট্রাভেল ট্যাক্স আর কিছু ছোটোখাটো খরচ মিলিয়ে সর্বমোট এই ট্যুরে আনুমানিক ২৫ হাজার টাকার মতো লেগেছিল l এই খরচ ব্যাক্তিভেদে এবং চাহিদানুযায়ী ভিন্ন হতে পারে l

জরুরি কথা :-

১.ইন্ডিয়ান ট্রেন সময়মতো ছাড়ে,গাফিলতি করলেই ট্রেন মিস হবার চান্স থাকে

২.বর্ডার থেকেই ভোডাফোন এর সিম নিয়ে নিন ৪০০ রুপি করে

৩.শীতকালে কাশ্মীর গেলে ওয়ান ওয়ে ট্রাফিক নিয়ে ধারণা নিয়ে যান

৪.রাজস্থান এবং আগ্রায় একটু হিন্দি বলতে পারলেই ফরেন কোটার টিকেট প্রাইস থেকে মুক্তি পাবেন,ফরেন কোটার টিকেট প্রাইস অনেক বেশি তুলনামূলক

৫.রাজস্থানে বেশির ভাগ veg খায়,শুকনা খাবার এবং পানি ক্যারি করুন ট্রেন এ

ট্যুর এর কিছু ছবি দিলাম এইখানে,আপনারা চাইলে আমার প্রোফাইল এ গিয়ে দেখতে পারেন-সেখানে আমি ছবিসহ Daywise আপডেট দিয়েছি এই ট্যুরের l

সবার কাছে একটাই অনুরোধ আমরা যখন বাইরে যাই তখন সেখানকার সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকব এবং পরিবেশটাও সুন্দর রাখব l লেখায় ভুলভ্রান্তি থাকলে আশা করি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং ট্যুর নিয়ে যেকোনো মতামত আপনারা কমেন্টে/ইনবক্সে জানাতে পারেন l

সান্দাকফু, ফালুট,দার্জিলিং – চলঘুরি

সান্দাকফুর উচ্চতা ১১৯২৯ ফুট। মাউন্ট কাঞ্চনজঙ্ঘা সান্দাকফু থেকে অসাধারণ ভাবে দেখা যায়। এমন একটা দৃশ্য যেখান থেকে আপনি কাঞ্চনজঙ্ঘার গায়ে সুর্য ডোবার আর সুর্যাস্তের লালচে আভার এক অপরূপ দৃশ্য অবলোকন করতে পারবেন। মজার বিষয় হলো এই জায়গা থেকে দাড়িয়ে আপনি দেখতে পাবেন পৃথিবীর ৫ টি সর্বোচ্চ চূড়ার ৪ টি।মাউন্ট এভারেস্ট, মাউন্ট মাকালু আর মাউন্ট লোথসে, আর কাঞ্চনজঙ্ঘা তো থাকছেই। যেহেতু আমরা নভেম্বরের মাঝামাঝি দিকে যাচ্ছি তাই সবচেয়ে ভালো ভিউ পাবো ইন-শা-আল্লাহ। এই সময়ে হিমালয়ের কাছে দুরের পর্বত চূড়া গুলো খুব পরিস্কার ভাবে দেখা যায়।

আমাদের এই ট্রিপে যারা যাবেন তাদেরকে চেংরাবান্দা দিয়ে ভিসা করতে হবে। কিন্তু যাদের চেংরাবান্দা দিয়ে ভিসা করানো নেই তারাও আমাদের সাথে যোগ দিতে পারবে। এখন খুব সহজেই আলাদা পোর্ট যুক্ত করা যাচ্ছে।

ভিসা করার জন্য যদি কোন সাহায্য লাগে সেক্ষেত্রেও আমরা আপনাকে সহযোগীতা করব।

********************************************************
যাত্রা শুরু – ২৫ই মার্চ ২০২০
********************************************************

ভ্রমন বিস্তারিত
*******************
২৫ই মার্চ, ২০২০ খ্রি. রাতের বাসে করে বুড়িমারির উদ্দ্যেশে যাত্রা শুরু হবে।

বাস নন এসি

#১ম_দিন
খুব সকাল নাগাদ বর্ডারে থাকবো, ফ্রেস হয়ে নাস্তা সেরে ইমিগ্রেশন পার হয়ে শিলিগুড়ি চলে যাবো। দুপুরের খাবার খেয়ে মানেভেঞ্জন এর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করব। মানেভেঞ্জন থেকে অনুমতি ও গাড়ী নিয়ে চিত্রে চলে যাবো। আমারা চেষ্টা করব ১ম রাত চিত্রে থাকা।

#২য়_দিন
খুব সকালে নাস্তা সেরে চিত্রে থেকে সান্দাকফু উদ্দেশ্যে যাত্রা। মেঘমাতে মেঘের সাথে মিতালি, টুমিলিং
দেখবো
রাতে সান্দাকফু থাকবো

#৩য়_দিন
খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠেই সূর্যোদয় দেখবো। নাস্তা সেরে ফালুট পথে এগিয়ে যাবো
ফালুট থেকে সরাসরি আমরা মানেভেজ্ঞন চলে আসবো
সেখান থেকে দার্জিলিং চলে যাবো
রাতে দার্জিলিং থাকা

#৪র্থ দিন দার্জিলিং ঘুরবো সারাদিন
দার্জিলিং এ-র যতগুলো পয়েন্ট আছে সব জায়গায় যাওয়ার চেষ্টা করবো

#৫ম_দিন
সকালে ঘুম থেকে উঠে শিলিগুড়ি পথেই থাকবো
শিলিগুড়ি দুপুরের খাবার খেয়ে
বর্ডারের পথে থাকবো

খাওয়া দাওয়া

প্রতিদিন ৩ বেলা খাবার পাবেন
শেষদিন সকাল এবং দুপুরের খাবার পাবেন

বিঃদ্রঃ
১। শিলিগুড়ি থেকে কেউ যদি কলকাতা যেতে চায়, কেনাকাটা করতে চায় তাহলে সে এখান থেকেই যেতে পারবে।
২। যেকোন প্রয়োজনে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনশীল। হোস্টের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।

************************************
ইভেন্ট খরচঃ ১৪৫০০/-
************************************

পেমেন্ট পলিসিঃ
বুকিং করতে হবে ৫০০০ টাকা
বিকাশে করলে খরচ সহ দিতে হবে

বিকাশ (পার্সনাল) # 01853167337
রকেট ) # 016820557699

************************************
টিম সাইজ মাত্র ১৫জন।
************************************

২০ই মার্চ ২০২০খ্রি. মধ্যেই অগ্রীম ৫০০০/- প্রদান করেই আপনার যাত্রা
আমাদের সাথে যা যা নিতে হবেঃ
*************************************
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র-
১। পাসপোর্ট
২। পাসপোর্ট ও ভিসার ফটোকপি
৩। ছবি ৫কপি
৪। NOC+ ফটোকপি ২টা
৫। NID+ ফটোকপি ২টা
৬। Visiting Card
৭। Office ID Card

পোশাক ও অন্যান্য-
১। ব্যাকপ্যাক ১ টা, ডে প্যাক -১টা
২। ফুল হাতা টি শার্ট ২ টা
৩। হাফ হাতা টি শার্ট ২ টা
৪। ট্র্যাকিং ট্রাউজার – ( দরকার নেই)
৫। জিন্স বা গ্যাবাডিন প্যান্ট -২ টা
৬। উলেন সোয়েটার – ১ টা
৭। জ্যাকেট (কান টুপি সহ) – ১টা
৮। ক্যাপ ১টা, মাঙ্কি ক্যাপ – ১টা
৯। হাপ প্যান্ট – ১ টা এবং গামছা – ১টা
১০। মোজা – ২ জোড়া
১১। উলের হাত মোজা
১২। উইন্ড ব্রেকার (যদি থাকে)
১৩। স্যান্ডেল – ১ জোড়া
১৪। পাওয়ার ব্যাঙ্ক
১৫। ক্যামেরা, চার্জার, এক্সট্রা মেমরি কার্ড
১৬। মোবাইল ফোন, চার্জার, সানগ্লাস
১৭। ঔষধ (জ্বর, ঠাণ্ডা কাশি, গ্যাস, বমি, ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট, ব্যাথা নাশক, মাথা ব্যাথা ও কাটা ছেঁড়ার এন্টিসেফটিক এছাড়া কারো ব্যক্তিগত ওষুধ), স্যালাইন, গ্লুকোজ।
১৮। কেডস অথবা ট্র্যাকিং বুট (যদি থাকে)
১৯। চার্জার লাইট বা টর্চ লাইট এক্সট্রা ব্যাটারি সহ
২০। ভেসলিন বা ময়েসচার লোশন বা সান স্ক্রীন
২১। টুথপেস্ট ও ব্রাশ
২২। ড্রাই ফুড, চকোলেট, বাদাম, খেজুর ইত্যাদি।

ধন্যবাদ
চলঘুরি বাংলাদেশ
জহিরুল ইসলাম ( রুবেল)
01853167337

88177432_10216226679235409_3373396708758126592_n-1

২৬ই মার্চের ছুটিতে লাক্সারী কর্ণফুলী জাহাজে সেন্টমার্টিন ভ্রমণ

সেন্টমার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবাল দ্বীপ। এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে।

স্বাধীনতা দিবসের ছুটিতে সেন্টমার্টিন এবং ছেড়াদিপ ভ্রমণ
-ভ্রমণ তারিখ — ২৫ মার্চ রাত হইতে ২৯ মার্চ সকাল
-ভ্রমণ সময় — ৪ রাত ৩ দিন (২ রাত হোটেলে রাত্রী যাপন)
-ভ্রমণ খরচ — ৮,৪৯৯ টাকা
-যোগাযোগ — ০১৮৭৩২৪৯৪৭০-০১৯১১২৪৯৪৭০

এটি Banglar Ovijatri – বাংলার অভিযাত্রীগ্রুপের ১ টি ইভেন্ট আমাদের পরবর্তী সকল ইভেন্ট সম্পর্কে জানতে ও ভ্রমণ সম্পর্কিত তথ্যের জন্যে সবাই এড হয়ে থাকতে পারেন ধন্যবাদ 🙂

আনুমানিক প্লান….
২৫ মার্চ – ঢাকা থেকে রাতে কক্সবাজার যাত্রা শুরু।

২৬ মার্চ – সকালে আমরা পৌছে যাবো কক্সবাজার নেমে আমরা নাস্তা করে কর্ণফুলী জাহাজে করে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্য রাউনা করবো। সেন্টমার্টিন নেমে চলে যাবো আমাদের পছন্দের রিসোর্ট। দেন সমুদ্র বিচে গিয়ে ঝাপাঝাপি করে ফ্রেশ হয়ে লাঞ্চ করে বিশ্রাম নিয়ে যার যার মত করে ঘুরে দেখবো সন্ধ্যায় সূর্য ডুবা। রাতে ডিনার করে ঘুমাইয়া পরবো।

২৭ মার্চ – সকালে ঘুম থেকে উঠে নাস্তা করে আমরা চলে যাবো ট্রলার দিয়ে ছেড়াদীপ। সেখানে ঝাপাঝাপি করে চলে আসবো আমাদের কোটেজ। দেন ফ্রেশ হয়ে লাঞ্চ করে বিকালে হেটে বেড়াবো আশে পাসে। তারপর কোটেজ এসে বিশ্রাম নিয়ে সন্ধ্যায় শুরু হবে বার-বি-কিউ গান বাজনা আড্ডা নাচানাচি করে ঘুমাইয়া পরবো।

২৮ মার্চ – সকালে উঠে নাস্তা করে নিজের মত করে ঘুরবো দেন দুপুরে লাঞ্চ করে ২ টার মধ্য আমরা ঘাটে চলে যাব এবং কর্ণফুলী জাহাজে করে কক্সবাজারের উদ্দেশ্য রাউনা দিবো কক্সবাজার পৌছে গাড়িতে উঠে ঢাকার উদ্দেশ্য বাসে রাউনা দিবো।

২৯ মার্চ — সকাল ৭ টায় ইনশাল্লাহ ঢাকা।

ভ্রমনের খরচ — ৮,৪৯৯ টাকা জনপ্রতি।
নন এসি বাস এবং এসি জাহাজ।
১ রুমে ৪ জন রাত্রী যাপন।

ভ্রমনের খরচ — ৮,৯৯৯ টাকা জনপ্রতি।
নন এসি বাস এবং এসি জাহাজ।
১ রুমে ৩ জন রাত্রী যাপন।

ভ্রমনের খরচ — ৯,৪৯৯ টাকা জনপ্রতি।
নন এসি বাস এবং এসি জাহাজ।
১ রুমে ২ জন রাত্রী যাপন।

যা যা পাচ্ছেনঃ
**(১) ঢাকা- কক্সবাজার- ঢাকা নন এসি বাসের টিকিট।

**(২) কক্সবাজার – সেন্টমারটিন – কক্সবাজার এসি জাহাজ টিকিট।

**(৩) ২৬ মার্চ — সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার,রাতের খাবার।

**(৪) ২৭ মার্চ — সকালের নাস্তা,দুপুরের খাবার,
রাতের বার-বি-কিউ ডিনার।

**(৫) ২৮ মার্চ — সকালের নাস্তা,দুপুরের খাবার।

**(৬) সেন্টমার্টিনে রিসোর্টে ২ রাত রাত্রী যাপন।

**(৭) সেন্টমার্টিন থেকে ট্রলার দিয়ে ছেড়াদীপ ভ্রমণ।

**(৮) বাংলার অভিযাত্রী গ্রুপ টি শার্ট ১ টি

ভ্রমন স্থানঃ
১.সেন্টমার্টিন
২.ছেড়াদিপ

যা যা খরচে থাকছে না ………
**কনো ব্যাক্তিগত খরচ
** কনো রিক্সা / ভ্যান খরচ
** যাত্রা পথের খাবার

কনফার্ম করার জন্য ৪০৮০ টাকা বিকাশ করতে হবে।
বিকাশ করে অবশ্যই ফোন করে জানাতে হবে বা ইভেন্ট পোষ্ট এ জানাতে হবে। বুকিং টাকা অফেরত যোগ্য।
বিকাশ নাম্বার :
Sahyed Rubel : ০১৯১১২৪৯৪৭০
০১৮৭৩২৪৯৪৭০

কেউ যদি হাতে হাতে টাকা দিতে চান তা হলে এডমিনের সাথে দেখা করে ৪০০০ টাকা দিয়ে কনফার্ম করতে পারবেন।

অফিস ঠিকানা — ৮৯/১ সুপার মার্কেট, কাকরাইল,
২য় তলা , রুম নাম্বার (১৩৪) ঢাকা – ১০০০

আমাদের একাউন্ট নাম্বার
Eastern Bank L.t.d
A/c name —
Banglar ovijatri travel & tourism
A/c number —
1101070124220
A/c Branch – Chowk mogoltuli

****বিশেষভাবে লক্ষনীয়****
১- একটি ভ্রমন পিপাসু মন থাকতে হবে।
২- ভ্রমনকালীন যে কোন সমস্যা নিজেরা আলোচনা করে সমাধান করতে হবে।
৩- ভ্রমন সুন্দমত পরিচালনা করার জন্য সবাই আমাদেরকে সর্বাত্মক সহায়তা করবেন আশা রাখি।
৪- আমরা শালীনতার মধ্য থেকে সর্বোচ্চ আনন্দ উপভোগ করব।
৫-অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে যে কোন সময় সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে, যেটা আমরা সকলে মিলেই ঠিক করব।
৬- বাংলার অভিযাত্রী ইকো টুরিজম এ বিশ্বাসী, টুরে যেয়ে প্রকৃতির কোন রকম ক্ষতি আমরা করবনা। কোন অপচনশীল বর্জ্য যেমন প্লাস্টিক প্যাকেট, বোতল যেখানে সেখানে না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলব ও ক্ষেত্রবিশেষে সাথে করে নিয়ে আসব। স্থানীয় জনবসতির সাথে বন্ধুত্বপূণ আচরন করব এবং যথোপযুক্ত সস্মান প্রদর্শন করব।
৭- কোন প্রকার মাদক দ্রব্য বহন বা সেবন করা যাবে না।

আমরা সবাই প্রকৃতি মায়ের সন্তান; এর হেফাজতের দায়িত্ব আমাদের সবার।

ভ্রমনের জন্য যে কেউ আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
ছেলে/মেয়ে সকলেই যেতে পারবেন।

যোগাযোগ :
Sahyed Rubel : 01911249470
: 01873249470

বাংলার অভিযাত্রী গ্রুপের সাথে থাকুন
https://www.facebook.com/groups/759507837518005/

বাংলার অভিযাত্রী পেজ লিঙ্কঃ
https://www.facebook.com/Banglar-Ovijatri-বাংলার-অভিযাত্রী-1679428202310010/

84158394_1077072796018782_2785824352073940992_o

Trip from Ctg to Saint Martin

by – Ayman Iktidar

আপনারা যারা সেইন্ট-মার্টিন (saint martin) যেতে চান তারা যদি পারেন অফডেতে যাওয়ার ট্রাই করবেন তাহলে খরচ কম পরবে।

আমরা ছয়জন ২৭ তারিখ রাতে রওনা দি দামপাড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে রিলাক্স বাসে । বাস সকাল ৭ টায় পৌছায় টেকনাফ ঘাটে।আমাদের শিপ এর টিকেট আগেই করা ছিল। যাওয়ার সময় আমাদের শিপ ছিলো কেয়ারি ক্রুস। কেয়ারি ক্রুসে মানুষ কম থাকে এবং আরাম ও বটে।😁 শিপ ১২.৩০ এ পৌঁছে যায় সেইন্ট-মার্টিন।শিপ থেকে নেমে আমরা বিচ ধরে হাটতে থাকি হোটেলের উদ্দেশ্যে। অনেক খোজাখুজি করার পরে বিচ এর পশ্চিম পাশে হোটেল অবকাশ পেয়ে যায় মনমতো। ৬ টা সিংগেল বেড ছিল রুমে।আমরা ২ রাত ছিলাম। ফ্রেশ হয়ে দুপুরের খাবারের সেরে নিই হোটেল এই। সেইন্ট-মার্টিন এ এসে সি-ফুড ট্রাই করতে ভুলবেন না। আমরা দুপুরের খাবারে টুনা এবং কোরাল মাছের প্যাকেজ নিয়েছিলাম। রেস্ট নিয়ে আমরা বিকালে চলে যায় সাইক্লিং এর জন্য। ১ ঘন্টা সাইক্লিং করে সূর্যাস্ত দেখে নিই। রাতের আড্ডা দিতে বিচ ধরে চলে যায় জেটিঘাট। এখানেই চলে আমাদের রাতের আড্ডা😍। আড্ডা শেষে রাতের খাবার খেয়ে নি দারু চিনি রেস্তোরাঁয়। খাবার খুবই বাজে ছিলো এখানে। এটা অ্যাভয়েড করার ট্রাই করবেন। সবাই খুব টায়ার্ড থাকায় সবাই ঘুমিয়ে পড়ে। পরের দিন সকালের নাস্তা শেষে চলে যায় ছেঁড়া-দ্বীপের উদ্দেশ্যে। আমরা লাইফবোটে করে গিয়েছিলাম। ছেঁড়া-দ্বীপের পানি সেইন্ট-মার্টিন থেকে পরিষ্কার । ছেঁড়া-দ্বীপ দেখতে অনেক সুন্দর। আসল বিচের ফিল পাবেন। ছেঁড়া-দ্বীপ ভ্রমন শেষে দুপুরের খাবার খেয়ে নিই জেটিঘাট এর পাশে নোয়াখালি ভিলেজ রেস্তোরাঁয়।এখানের খাবার ভালো ছিলো। হোটেলে এসে রেস্ট নিয়ে বিকালে চলে যায় সমুদ্রে ভিজতে। সমুদ্রে ভিজে সূর্যাস্ত দেখার সৌন্দর্য বলে বুঝানোর মতো না😍।


রাতে আমরা নোয়াখালি ভিলেজ রেস্তোরাঁয় স্যালমন মাছের বারবিকিউ অর্ডার দিয়ে চলে যায় জেটিঘাটে।বারবিকিউ খুবই মজার ছিলো। তারপর রাতভর হোটেলের বাইরে চলে সবার না ফুরানো আড্ডা। তারপর দিন সকালে নাস্তা শেষে চেকআউট করে বিচের ধারে বসে ডাব খেতে খেতে শেষ বারের মতো সৌন্দর্য উপভোগ করে দুপুরের খাবার খেয়ে শিপে উঠে পড়ি।আমরা কেয়ারি সিন্দাবাদে করে ব্যাক করেছিলাম।

খরচঃ

১ম দিনঃ
বাস-৪৮০০
শিপ(যাওয়া-আসা)-৪৪০০
হোটেল(২ রাত)-৩০০০
সাইক্লিং(৫ জনের)-২০০
দুপুরের খাবার-৮৮০
বিকালের নাস্তা-১৮৫
রাতের খাবার-৫৩০

২য় দিনঃ
সকালের নাস্তা-২০০
দুপুরের খাবার-১০৬০
বিকালের নাস্তা-১২০
বারবিকিউ -১৪৭০

৩য় দিনঃ
সকালের নাস্তা-২৮০
দুপুরের খাবার-৬৬০
ডাব-৩০০
বিকালের নাস্তা-২৪০

Per person -3300tk(2 nights)

সেইন্ট-মার্টিন এর আশেপাশে অনেক ময়লা চোখে পড়ল।
যেখানে যাবেন পরিবেশ পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করবেন এবং ময়লা ফেলবেন না।

88261670_2786082171498826_2897209943734091776_n

Kalimpong/darjeeling trip by Avijit Ghosh

তিনদিনের ঝটিকা সফরে ঘুরে এলাম উত্তরবঙ্গ থেকে by Avijit Ghosh

Feb 20 (বৃহস্পতিবার):- শিয়ালদা থেকে রাত সাড়ে আটটার সময় কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেস ধরলাম,গন্তব্য NJP।

Feb 21 (শুক্রবার):- সকাল সাড়ে সাতটার সময় NJP নামলাম,নেমে ফ্রেশ হয়ে ড্রাইভার কে ফোন করতে লাগলাম যে তিনি কোথায় আছেন,যদিও সকালে ও আগেরদিন থেকে কথা হয়েই আছে আমরা কখন NJP পৌঁছাবো,এবং গাড়ি আগে থেকেই রিজার্ভ করা ছিলো যিনি আমাদের পুরো ট্যুর টা গাড়িতেই ওই একই বাহনে ঘোড়াবেন।

NJP স্টেশনের বাইরে বেরিয়ে অপেক্ষা করার কিছু মুহুর্তের মধ্যেই এসে পৌঁছালো আমাদের এই পুরো ট্যুরের বাহন Bolero,এই গাড়িটার একটা সুবিধা যে পিছনের সিট গুলোও ছিলো ফ্রন্ট ফেসিং এতে পাহাড়ি রাস্তায় কারওই অসুবিধা হবে না,এবং আমাদের সদস্যসংখ্যা ছিলো ৮ জন।

গাড়ি স্টার্ট দিয়ে আমরা আজকের প্রথম গন্তব্য তিনচুলের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করলাম,তিনচুলে তে আমাদের Kulung Guest House বুক করাই ছিলো,আমরা ঠিক করলাম রাস্তায় ব্রেকফাস্ট ও লাঞ্চ সেরে নিয়ে সাইটসিয়িং সেরে তারপরে বিকেলে হোমস্টে তে পৌঁছাবো,

তো যেই ভাবা সেই কাজ,এইভাবে আমরা আমাদের যাত্রা পথের মাঝেই দেখে নিলাম
▪️Tinchule Sunset View Point
▪️Takdah Orchid Centre
▪️Runglee Rungliot Tea Estate

এইগুলি দেখা শেষ করে পৌঁছালাম আমাদের গেস্ট হাউসে,Kulung Guest House এর মালিক আমাদের সাদর অভ্যর্থনা জানালেন,৭৩ বছরের এই কিশোরের সাথে পরিচয় হয়ে আমাদেরও বেশ লাগলো,রাতে ডিনার সেরে আমরা তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়লাম কারণ পরেরদিন খুব সকালে বেড়াতে হবে আমাদের,গন্তব্য Kalimpong.

Feb 22 (শনিবার):- গেস্ট হাউসেই ব্রেকফাস্ট সেরে তিনচুলে,তাকদার স্মৃতি নিয়ে আমরা Kalimpong এর উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম,আজকেও ঠিক করলাম রাস্তায় সমস্ত সাইট সিয়িং করে তারপর Kalimpong এ আমাদের হোটেল এ পৌঁছাবো,এই প্রসঙ্গে বলে রাখি Kalimpong এ আমাদের রাত্রিবাস এর ঠিকানা হলো Hill Top WBTDC Lodge.

সেইদিন পথে যেতে যেতে দেখলাম
▪️Lamhatta Eco Park
▪️Lovers Meet Viewpoint
▪️Peshok Tea Garden
▪️Pine View Nursery
▪️Durpin Monastery
▪️Army Golf Course
▪️Morgan House
▪️Gouripur House

আজকের লাঞ্চ সারলাম আমরা Army Golf Course এর Green Cafe তে যার পুরোটাই Army দ্বারা পরিচালিত,
বিকেলে লজে পৌঁছে ফ্রেশ হয়ে বেড়িয়ে পড়লাম Kalimpong বাজারের উদ্দেশ্যে,
বাজারে গিয়ে চা, souvenir কিনলাম,রাতের খাবার খেয়ে ট্যাক্সি নিয়ে হোটেল ফিরলাম সেদিন রাতে,
পরেরদিন এর গন্তব্য Lava,

Feb 23 (রবিবার):- Kalimpong থেকে সকালে বেরিয়ে যাত্রা করলাম লাভার উদ্দেশ্যে,আজ আমাদের রাতেই কলকাতা ফেরার ট্রেন NJP থেকে,তাই সারাদিন ঘুরে ড্রাইভার দাদা আমাদের সন্ধের আগে NJP নামিয়ে দেবে এমনটাই কথা হয়ে ছিলো আগে থেকে।

পথে পথে সেইদিন দেখলাম
▪️Dr Graham’s House
▪️Deolo Park
▪️Hanuman Top
▪️Lava Monastery
▪️Ambek Tea Garden
▪️Teesta Barrage,Gajaldoba.

আজকের দুপুরের লাঞ্চ সারলাম তিস্তা ব্যারেজের কাছে গজলডোবা তে,সেদিনের সব সাইডসিয়িং শেষ করে আমরা সন্ধের একটু আগে পৌঁছে গেলাম NJP স্টেশনে,
আমাদের ফেরার ট্রেন রাত আটটায় ছাড়বে Darjeeling Mail.
নিজেদের সমস্ত জিনিস,ব্যাগ বুঝে নিয়ে এবং ড্রাইভার দাদার সাথে কুশল বিনিময় করে আমরা স্টেশনের দিকে পা বাড়ালাম,রাতে খাবার আমরা প্যাক করে নিয়েছিলাম NJP স্টেশনের বাইরে থেকেই,

Feb 24 (সোমবার):- সকাল সাড়ে ছটার সময় শিয়ালদা নেমে একবুক স্মৃতি নিয়ে যে যার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম।

শেষে সবাইকে একটাই অনুরোধ ঘুরতে গিয়ে সবাই পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন,নিজেও ভালো থাকুন,পরিবেশকেও ভালো থাকতে দিন,ধন্যবাদ।