shatchori

সাতছড়িতে সাবধান

by Masuk M Fidato

ছবিয়াল ভাই-বন্ধু যারাই ইদানিং সাতছড়ি (shatchori) আসার প্লান করতেছেন তারা সবাই যথা সম্ভব সাবধানতা অবলম্বন করুন প্লিজ। সাতছড়ির বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি খুবই খারাপ।

এর আগে সাতছড়ি (shatchori) যাওয়ার রাস্তায় প্রায়ই ডাকাতির ঘটনা ঘটলেও গত পরশু রাতে, বন বিভাগের সংরক্ষিত এলাকা ভিতরে অবস্থিত মোল্লা চাচার বাড়িতে ডাকাতি হয়, তাছাড়া গত রাতে আবারো হঠাৎ আতংক ছড়িয়ে পরে, রাতে স্থানীয়দের পাহারা ও পুলিশ মোতায়েন করতে হয়েছে,স্থানীয় সবাই এখন খুবই আতংকে রাত কাটান।

২ জন ভারতীয় মেহমান সহ ডরমেটরিতে আমরা ১১ জন ছিলাম, বলা যায় খুব বাজে একটা রাত কেটেছে 🙁 🙁
এতো এতো পাহারার মধ্যেও যেখানে স্থানীয়রাই নিরাপদ নয়, সেখানে সবারই নিজেদের নিরাপত্তার বেপারে ভাবা উচিত, সবাই সাবধানে থাকুন, নিরাপদ থাকুন।

90020226_2880003762058693_7986733291707301888_o

বান্দরবানের খুমের রাজ্যে

By Sabbir Haider Shuvo

#থানচি#পদ্মমুখ#থুইসাপাড়া#দেবতাপাহাড়#ভেলাখুম#নাইখ্যাংমুখ#অমিয়খুম#সাতভাই_খুম#নাফাখুম#রেমাক্রি#সাঙ্গু#বড়_পাথর#তিন্দু#থানচি
বসন্তেরই লভিতে পরশ
এসেছি এ বৈশাখে,
মোহিনী রূপের হাতছানি দিয়ে
পাহাড় কন্যা ডাকে!
কবিতার মত সুন্দর পাহাড়ের দেশ বান্দরবনে আমরা ১১ জন

এই ট্যুরটা আমরা প্ল্যান করি সেই ২০১৪ সালে । কিন্তু কখনই সময় সুযোগ হয় নি বা কারো না কারো সমস্যা লেগেই ছিল, যে কারনে ২০১৪ সালে প্ল্যান করা ট্যুর দিতে হল এই ২০২০ সালে এসে । বিভিন্ন কারনে টিকেট কাটার পরেও অনিশ্চয়তায় ছিলাম যে আসলেই যেতে পারব তো । শুরুতে আমরা মাত্র তিন জন থাকলেও ফেসবুকে আরও ২ জন এবং বান্দরবন নেমে আরও ৬ জন পেয়ে যাই । ভাগ্য ভালই বলতে হবে কারন এই ৬ জনকে না পেলে বান্দরবন থেকে থানচি বাসে যেতে হত, সময় নষ্ট হত অনেক ।

আমাদের ১১ জনের যাত্রা শুরু হয় বান্দরবন শহর থেকে থানচির উদ্দেশে চান্দের গাড়িতে করে । আকা বাঁকা পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়ে থানচি যেতে আমাদের সময় লাগে ৩ ঘণ্টার কিছু বেশি । মাঝে আর্মি ক্যম্প ও বিজিবি ক্যম্পে ভোটার আইডির ফটোকপি জমা দিয়ে নাম এন্ট্রি করতে হয় । থানচি নেমে আমরা খুজে বের করি আমাদের আগে থেকে কথা বলে রাখা গাইড রাজু ভাইকে । রাজু ভাইকে নিয়ে আবারো পুলিশ ও বিজিবি ক্যম্পে নাম এন্ট্রি করতে হয়। থানার ওসি আমাদের ১১ জনের একটি ছবি তুলে রাখেন। থানচিতে খাওয়া দাওয়া করে সাথে শুকনা খাবার নিয়ে আমরা নৌকায় করে রওনা হই পদ্মমুখের উদ্দেশ্যে । সাঙ্গু নদীর সৌন্দর্য আর পাহাড়ি রুপ দেখতে দেখতে ৪০ মিনিট পর আমরা পদ্মমুখে পৌঁছাই । এখান থেকে পদ্মঝিরি ধরে আমাদের হাঁটা পথ শুরু । হাঁটা শুরু করার সময় আমরা জানতাম অনেকটা পথ হাঁটতে হবে কিন্তু আমাদের কোন ধারনাই ছিল না যে উঁচু নিচু রাস্তায় ৩ টা বড় পাহাড় পার হয়ে ৬ ঘণ্টা হেঁটে থুইসা পাড়া পৌঁছাতে হবে।রপথে অনেকগুলো পাহাড়ি পাড়া পরবে যেখানে থেক বিশ্রাম নেয়া ও পানি পাহাড়ি কলা ও হাল্কা নাস্তা খেয়ে নেয়া যাবে । পাহাড়ের লোকজন খুবি আন্তরিক এবং বন্ধুপরায়ন । কাঁধের ব্যগ হাল্কা হলে আর রোদের তেজ কম থাকলে পাহাড়ি এই সুন্দর পথ যে কারো মন জুরিয়ে দেয়ার জন্য যথেষ্ট । পথে দূর থেকে দেখা যাবে তাজিংডং ও সাকা হাফং ও দেবতা পাহাড় । পদ্মমুখ থেকে থুইসাপাড়া যেতে আমাদের সন্ধ্যা হয়ে যায় । আমাদের গাইড রাজু ভাই আমাদের রুম দেখিয়ে দেন । সবাই ক্লান্তিতে কিছুক্ষনের জন্য গা এলিয়ে দেই । রাতেই পাহাড়ি ঝরনার হিম শিতল পানি দিয়ে গোসল করার পর শরীর অনেকটাই চাঙ্গা হয়ে যায় । বাঁশ ও কাঠের তৈরি দোতালা ঘরের দোতালায় আমাদের থাকার যায়গা আর নিচে বারান্দায় খাবার যায়গা । আর হ্য এখানে কোন ফোনেই নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়না টেলিটক ছাড়া । আমার ফনে জদিও টেলিটক সিম ছিল তাও আমি নেটওয়ার্ক পাইনি । গাইড রাজু ভাইয়ের সিম্ফনি ফিচার ফোনে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় গিয়ে অনেক কাঠখড় পুরিয়ে বাসায় একবার কল দিতে পেরেছিলাম। সবচেয়ে ভাল হয় থানচি বাজারে থাকতেই বাসায় ফোন করে বলে দেয়া যে নেটওয়ার্ক থাকবে না তিন দিন। রাতে পাহাড়ি মুরগি দিয়ে ডিনার সেরে আমরা তারাতারি শুয়ে পড়ি কারন পরদিন ভোরে আমরা রউনা হব অমিয়খুমের উদ্দেশে । এভাবেই আমাদের ভ্রমনের প্রথম দিন শেষ হয় ।দ্বিতীয় দিন খুব ভোরে উঠে আমরা ফ্রেশ হয়ে ভাত ডিম ভাজা আর ডাল দিয়ে নাস্তা করে নেই । তারপর দেবতা পাহাড়ের উদ্দ্যেশে রওনা হই । আমাদের সাথে এইদিন গাইড হিসেবে ছিলেন রাজু ভাইয়ের আত্মীয় মধু ভাই । এই ট্যুরের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ট্র্যাকিং ছিল এই দেবতা পাহাড় পাড় হওয়া, বিশেষ করে এর নামার রাস্তা, কিছু কিছু যায়গায় যা ৯০ ডিগ্রি খাড়া । উচ্চতা ভীতি থাকলে এখানে না আসাই ভাল । আমাদের সাথে একজন মাঝপথে আটকে গেছিলেন পরে অনেক অনেক কষ্ট করে আমি ও আরেকজন ভাই মিলে উনাকে নামান হয়েছে । এই পাহাড় থেকে নামার সময় ভয়ঙ্কর সুন্দরে উপভোগের অভিজ্ঞতা হবে সবার। পাথুরে পাহাড়ে সবুজের সমারোহ এবং নিচে অমিয়খুমের কলকল শব্দ শত ভয় ক্লান্তি দূর করে মনে প্রশান্তি এন দেবে। দেবতা পাহাড় থেকে নেমে হাতের ডান দিকে কিছুদুর গেলে ভেলাখুম । সে এক অপরুপ যায়গা । মনে হবে উপরওয়ালা সব সৌন্দর্য ঢেলে দিয়ে সাজিয়ে রেখেছেন । বাঁশের ভেলায় করে যাওয়ার সময় দুপাশে উঁচু পাথুরে পাহাড় ও পানিতে সবুজের ছায়া পড়ে অসাধারন পরিবেশ সৃষ্টি করে। ভেলায় করে কিছুদুর গেলে নাইখ্যাংমুখ এর দেখা পাওয়া যাবে । এখান থেকেই জলের ধারা বয়ে চলেছে ভেলাখুম হয়ে অমিয়খুম ও সাতভাইখুমের দিকে । ভেলাখুম ও নাইখ্যাংমুখ দেখা শেষে আমরা যাই অমিয়খুমের দিকে । অমিয়খুমে নিজে না গেলে এই সৌন্দর্য কখনোই ভাষায় প্রকাশ করার মত নয় । যারা গিয়েছেন তারা জানেন । আমরা বেশি দেরি না করে জামা কাপর খুলে হাফ প্যান্ট পড়ে পানিতে নেমে যাই । ১ ঘণ্টার মত থান্ডা পানিতে লাফালাফি করে পারে উঠি । সাতভাই খুমে যাওয়ার খুব ইচ্ছা থাকলেও ভেলা না পাওয়ায় আর যাওয়া হয়নি। তারপর সারাদিনের ঘুরাঘুরি শেষে আবার দেবতা পাহাড়ে উঠা শুরু করি । নামা যতোটা কঠিন ছিল উঠতে মোটেও তেমন কঠিন মনে হয়নি । সহজেই আমরা পৌঁছে যাই থুইসাপাড়ায় । রাতে পাহাড়ি মুরগির বারবিকিও ও ক্যম্পফায়ার জালিয়ে আড্ডা । মনে রাখার মত কিছু সময় পার করি আমরা । থুইসা পাড়ার প্রবর্তক থুইসার সাথে অনেক্ষন কথা হয় আমাদের । অনেক হাসি খুসি মানুষ আর হাতে তামাকের চুরুট সারাক্ষনই থাকে তাঁর । আমাদের গাইড মধু ভাই ভেলাখুম থেকে একটা কালিবাউস মাছ ধরে আনেন জেতা দিয়ে আমরা রাএর খাবার সেরে নেই। এইদিনও রাতে আমরা তারাতারি ঘুমিয়ে যাই । দ্বিতীয় দিনের সমাপ্তি হয় ।তৃতীয় দিন খুব ভোরে নাস্তা সেরে আবার রওনা হই নাফাখুমের রাস্তায় । পাহাড়ি পথ এত সুন্দর হতে পারে তা থুইসা পাড়া থেকে নাফাখুম না গেলে বুঝা যাবে না ৩ ঘণ্টা হেঁটে আমরা পৌঁছে যাই নাফাখুমে । নাফাখুমের কথা আলাদা করে বলার কিছু নেই । বাংলার নায়াগ্রা হিসেবে পরিচিত নাফাখুম সবাই কম বেশি চিনেন । নাফাখুমে ১ ঘণ্টা থেকে আমরা রওনা দেই রেমাক্রির দিকে। পথে খুব সুন্দর একটা পাহাড়ি টং ঘরে থেমে রেমাক্রি ঝিরির পাশে বসে আমরা কলা ও চা খেয়ে নেই । আর কিছুক্ষণ হেঁটে পৌঁছে যাই রেমাক্রি । আবারো জামা কাপর খুলে নেমে যাই পানিতে । আমরা যখন পানিতে ঝাপাঝাপি করছি তখন আমাদের গাইড নৌকা ঠিক করেন । ১ ঘণ্টা পর আমরা নৌকায় করে রউনা দেই থানচির দিকে । পথে বড় পাথর ও তিন্দু হয়ে সুন্দরী সাঙ্গু ধরে আমরা ছুটে যাই থানচির দিকে । আড়াই ঘণ্টা নৌকা ভ্রমনের পর আমরা থাওচি বাজার পৌঁছাই । সেখান থেকে চান্দের গারি ঠিক করে গাইড রাজু ভাই এর কাছে বিদায় নিয়ে বান্দরবনের দিকে রউনা দেই । আমাদের রওনা হতে সন্ধ্যা হইয়ে গিয়েছিল টাই আর্মি ও বিজিবি ক্যম্পে অনেক জিজ্ঞাসাবাদের পর ছাড়া পাই । ট্যুরে ২ জনের হাল্কা ইনজুরি ছাড়া তেমন কোন সমস্যা হয়নি । তবে সবার অনেক বেশি সাবধান থাকা উচিৎ, একটু অসাবধানতায় বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে ।
এই তিনটি দিন আমরা একরকম ঘোরের মধ্যে ছিলাম। প্রকৃতি এত সুন্দর হতে পারে এখানে না আসলে কখনোই বুঝতাম না ।

পরিশেষে এইটাই বলব খাবারের প্যাকেট পানির বোতল যেখানে সেখানে ফেলে পরিবেশ দূষণ করবেন না। ডাস্টবিন না পেলে সাথেই রেখে দিন পড়ে ডাস্টবিন অবশ্যই পাবেন তখন ফেলে দিয়েন ।

thumb

বন্ধ হয়ে গেলো নেপালের দরজা

সব ধরনের টুরিস্ট ভিসা আপাতত বন্ধ করে দিলো নেপাল সরকার। একই সাথে বসন্তকালীন এক্সপিডিশনও বন্ধ থাকবে।

আগামী ১৪ই মার্চ থেকে ১৪ই এপ্রিল এই সিদ্ধান্ত বলবত থাকবে

খবরঃ The Kathmandu Post

The Nepal government, late Thursday night, decided to temporarily stop issuing on-arrival tourist visas to all countries and has put an end to all spring mountaineering expeditions, including Everest ascents.

The decision comes a day after the World Health Organization declared the Covid-19 outbreak a pandemic and urged countries to take precautionary measures.

“The visa suspension, which excludes diplomatic and official visas, will come into effect on March 14and last until April 30,” a government official told the Post on condition of anonymity.

A high-level coordination committee led by Deputy Prime Minister and Defence Minister Ishwar Pokhrel took the decision to this effect on Thursday.

The meeting also decided to restrict traveller movement to and from India via land routes and adhere to strict quarantine measures at the border. No decision has been made to close down schools and colleges.

“In case of emergency, any foreigners wishing to come to Nepal will need to submit a medical certificate declaring that they are free of the coronavirus while applying at Nepal’s consulate in their respective countries,” the official said. “The government has also decided not to issue visas for tourists entering Nepal via land routes.”

According to the official, all spring expeditions, including Everest, have been cancelled.

The decision effectively puts an end to the lucrative spring climbing season, which is when most Everest attempts take place.

Mountaineers generally apply for Everest permits from the end of March. The spring season begins in early April as hordes of climbers start trekking for the Everest region. From hotels to restaurants, guides to potters, and airlines to helicopters, all eagerly await the spring climbing season as it generates much-needed income and jobs for the mountainous region.

The government alone earns around $4 million by issuing Everest climbing permits every year. The two-week summit window normally begins in the second week of May. Millions of dollars in income are expected to be wiped out from the market if the Spring ascents are called off.

In the wake of the global coronavirus outbreak, China has already cancelled all Everest expeditions from the Tibetan side.

The China Tibet Mountaineering Association, the body that issues climbing permits, notified expeditions on Wednesday that all Everest ascents from the northern side had been cancelled due to the ongoing coronavirus outbreak.

Earlier on Thursday, expedition operators told the Post that they were looking at an unusual situation.

“Cancellation of this year’s spring Everest expedition will mean a big blow to expedition operators,” said Mingma Sherpa, managing director of Seven Summit Treks.

Seven Summit Treks, the largest expedition operator in Nepal, said that 60 climbers have already registered with them to climb Everest. But on Thursday, six climbers cancelled their plans.

Meera Acharya, director at the Tourism Department which issues climbing permits, said that they had issued permits for five climbers for different mountains as of Thursday, but no one has applied for Everest as of now.

Countries across the world are stepping up measures and revising travel advisories to control the virus spread.

The United States has suspended all travel from Europe to the country for 30 days,  India is temporarily suspending almost all travel visas starting Friday as part of its efforts to contain the Covid-19 pandemic. India’s ban will be applicable until April 15.

Following China’s announcement, aspiring mountaineers from around the world were eagerly awaiting the Nepal government’s response.

In the last few years, it has mostly been Indians who’ve sought Everest climbing permits, followed by Chinese, Americans and the British. With China still battling Covid-19 and India reporting more and more cases by the day, things were not looking good for Nepal’s mountaineering season, said Rishi Bhandari, managing director of Satori Adventures.

Bhandari said that his company had cancelled seven expeditions on the Chinese side following Wednesday’s notification while seven others have registered with them to climb Everest from the Nepal side.

Last year, the department had issued permits for 1,024 climbers, including 382 foreigners. Among them, 644 climbers reached the top.

MW-HX991_trump__20200108113956_ZQ

Trump Restricts Travel

President Trump announced on Wednesday night that he was taking action to stem the spread of the coronavirus by suspending most travel from Europe to the United States for 30 days, beginning on Friday. The restrictions do not apply to Britain, he said.

Mr. Trump imposed a 30-day ban on foreigners who have been in the 26 countries that make up the European Union’s Schengen Area in the previous two weeks. The limits take effect Friday at midnight and will exempt American citizens and permanent legal residents and their families, although they could be funneled to certain airports for enhanced screening.

87045785_2667861833292343_4297440887924850688_n

কাশ্মীর,রাজস্থান,আগ্রা ভ্রমণবৃত্তান্ত

By Taseen Afrid

আমাদের রুট ছিল –

” ঢাকা-কলকাতা-জম্মু-শ্রীনগর-পাহালগাম-জম্মু-চন্ডিগড়-বিকানের-জয়সালমের-যোধপুর-উদয়পুর-চিত্তোরগড়-জয়পুর-আজমির-আগ্রা-কলকাতা-ঢাকা “

আমি প্রথমেই সময় এবং খরচের কথাটা বলে নিব l “১৭ দিনে” আমাদের লেগেছিল আনুমানিক “২৫ হাজার” টাকার মতো l আমরা ৮ বন্ধু ছিলামl সবার কাছে একটু সময় নিয়ে পড়ার অনুরোধ রইল lলেখায় ভুলভ্রান্তি থাকলে আশা করি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন l আমি এইখানে বিস্তারিত তুলে ধরার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব l

পূর্বপ্রস্তুতি;

১.আমরা সবাই বেনাপোল-পেট্রাপোল বর্ডার ব্যবহার করেছিলাম l তাই এক্সট্রা পোর্ট এন্ট্রি এর দরকার নেইl

২.ইন্ডিয়ান ৭ টি রুটের ট্রেন এর সব টিকেট আমরা এক মাস আগেই করিয়ে রেখেছিলাম বাংলাদেশ থেকে কারণ ওখানে গিয়ে এতগুলো টিকেট সংগ্রহ করা সময়সাপেক্ষ ও কষ্টসাধ্য ব্যাপার,সঠিকভাবে বাংলাদেশ থেকেই প্ল্যান মাফিক টিকিটগুলা করবেন হাতে পর্যাপ্ত সময় নিয়ে l

৩.শীতের জন্যে পর্যাপ্ত জামাকাপড় রাখবেন l

৪.যেহেতু এইটা সম্পূর্ণই ট্রেন জার্নি ছিল এবং আমাদের ছিল নন এসি স্লীপারl তাই সাথে কম্বল নিতে ভুলবেন না l

৫.ঢাকা থেকে কলকাতা/বেনাপোল যদি ট্রেন এ যেতে চান তাহলে আগেই টিকেট করে রাখুন l কিন্তু বেনাপোল এক্সপ্রেস এ না যাওয়াই উত্তম 

-_- প্রয়োজনে বাস এ যান l

আমি এখন দৈনিক ভিত্তিতে ভ্রমণবৃত্তান্ত তুলে ধরছি ;

কাশ্মীর পর্ব :-

দিন ০১ – রাত ১১ টার বেনাপোল এক্সপ্রেস আসে ১ টায়,যাত্রা শুরু কমলাপুর থেকে l

দিন ০২- সকালে বেনাপোল নেমে বর্ডার পার হয়ে গেলাম,তারপর ৩০ রুপিতে বনগাঁ,২০ রুপিতে শিয়ালদাহ,ওখান থেকে হলুদ ট্যাক্সিতে হাওড়া l লকারে ব্যাগ রেখে রাতের কলকাতা ঘুরে ১১;৪৫ এ হিমগিরি এক্সপ্রেস এ উঠেই ঘুমl

দিন ০৩ -আড্ডা-ঘুম দিতে দিতে দিন পার আর সাথে ছিল ইন্ডিয়ান রেলওয়ে এর বাজে খাবারl

দিন ০৪ – ১ টার দিকে জম্মু পৌঁছলাম ৩৬ ঘন্টা জার্নি করে l জম্মু রেলস্টেশন থেকে কাশ্মীর এর প্যাকেজ কিনলাম পার পারসন ৪০০০ রুপি করে (সকল ট্রান্সপোর্টেশন,হোটেল ভাড়া)

দুপুরে রওনা শুরু করলাম,পাঞ্জাবি ধাবায় খাওয়া পথিমধ্যে l কিন্তু ওয়ান ওয়ে ট্রাফিক এর জন্যে পথে ৫-৬ ঘন্টা দেরি করে শ্রীনগর পৌছালাম ভোরে l

দিন ০৫ – শ্রীনগর এ নেমে হোটেলে ফ্রেশ হয়ে গেলাম গুলমার্গ(বরফের স্বর্গ),বরফের রাইড গুলাও নিলাম গাইড এর সাহায্যে l আসার পথে কাশ্মীরি শাল আর ড্রাই ফ্রুটস কিনলাম l রাতে খেলাম ট্র্যাডিশনাল”kashmiri wazwan” পার পারসন ৫০০ রুপি দিয়ে,খেয়েই ঘুম l

দিন ০৬ – সকালে গেলাম পরিমহল তারপর ডাল লেক এ বোটিং করলাম ২ বোট নিলো ১০০০ রুপি l বোটিং করে গেলাম পাহালগাম l পাহালগাম নেমেই স্নোফল পেলাম,দেরি না করে চলে গেলাম বাইসারণ ভ্যালি ঘোড়ায় চড়ে l পার পারসন নিলো ৩০০ রুপি করে l সৌন্দর্যের বর্ণনা যদি দিতে চাই তাহলে লিখে শেষ করা যাবে না l ভ্যালি থেকে এসে খেয়ে কাশ্মীরি বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে ঘুম l

দিন ০৭ – সকালে উঠে জম্মু তে ফেরত যেতে নিলে পুলিশ কাজিগুন্দ থেকে গাড়ি যেতে দেয় না,তাই আমরা বরফে ঢাকা কাশ্মীরি গ্রামগুলা ঘুরলাম সারাদিন ধরে আড্ডা দিয়ে পরদিন সকালে পৌঁছলাম জম্মু l

দিন ০৮ – জম্মু নেমে এসি বাস নিয়ে চলে গেলাম চন্ডিগড়,ভাড়া ৬০০ রুপি জনপ্রতি l ৬ ঘন্টা লাগলো ৩৫০ কিলো যেতে l নেমে চলে গেলাম রেলস্টেশনে , রাত ১১ টায় ছিল ট্রেন বিকানের এর উদ্দেশ্যে l

রাজস্থান পর্ব :-

 দিন ০৯ – বিকানের নেমে ৫০০ রুপিতে ৮ জনের অটো ভাড়া করি বিকাল পর্যন্ত l এর মধ্যে আমরা জুনাগড় ফোর্ট, জৈন মন্দির,কারনি মাতা মন্দির,লালগড় প্যালেস,রামপুরিয়া হাভেলি,গজনের প্যালেস,লক্ষীনাথ মন্দির,সুরসাগর লেক দেখে ফেলি l পরে ৬ টায় ট্রেনে করে চলে যাই জয়সালমের l পৌঁছায় রাত ১২ টায় l

দিন ১০ – জয়সালমের হোটেল ভাড়া ৩ রুমের জন্যে ৫০০ রুপি হোটেল মনিকা l তারপর পার পারসন ২০০০ রুপিতে প্যাকেজ নেই ডে ট্যুর এর(সিটি ট্যুর + ডেজার্ট সাফারি) l সিটি ট্যুর এ ৭ টা প্লেস ছিল অলমোস্ট আর ডেজার্ট সাফারিতে ছিল ক্যামেল রাইড,জীপ্ রাইড,বুফে ডিনার,কালচারাল নাইট,ট্রান্সপোর্টেশন টু রেলস্টেশন l বার-বি-কিউ করেছিলাম পার পারসন ১৫০ রুপি দিয়ে l রেলস্টেশন নেমে আমরা যোধপুর এর ট্রেন এ উঠে পড়ি রাত ১২ টার ট্রেন ছিল ওটা l

দিন ১১ – সকালে নেমে যাই যোধপুর সিটিতে (ব্লু সিটি) l পার পারসন ১৫০ অটো ভাড়া দিয়ে যোধপুর সিটি এর ফোর্ট গুলা ঘুরে দেখি বিকাল পর্যন্ত l মেহেরাঙার ফোর্ট,যশবন্ত ঠাডা,উমেদ প্যালেস,কায়লানা লেক দেখে বিকালে স্টেট বাস এ করে ২৭৫ রুপি দিয়ে চলে যাই উদয়পুর l উদয়পুর নামলাম রাত ১২ টায় l বাস স্ট্যান্ড এর পাশেই রুম নিলাম গড়ে ২৫০ রুপি করে পারহেড l

দিন ১২ – সকালে উঠে ৮ জনের অটো ভাড়া করলাম ৭০০ রুপিতে ডে ট্যুর এর জন্যে l উদয়পুরের ৬-৭ টা ফোর্ট দেখার পর একটু রেস্ট নিয়ে চলে গেলাম চিত্তোরগড় l বাস ভাড়া ১০০ রুপি l নেমেই ১০০০ রুপিতে একটা অটো ভাড়া করে চলে গেলাম চিত্তোরগড় ফোর্ট দেখতে(মূল আকর্ষণ) l এখানে গিয়ে রাজপূত রতন সিংহ,রানী পদ্মিনী,আলাউদ্দিন খিলজী সব কাহিনী যেন আমরা সবাই অবলোকন করতে পারছিলাম l ফোর্ট থেকে ফায়ার ধর্মশালায় ৮ জনের একটা রুম ৫০০ রুপিতে নিয়েছিলাম খানিকটা বিশ্রামের জন্যে l ওদিন রাতে চলে যাই ট্রেন ধরে জয়পুর l ট্রেন ছিল রাত ১২ টায় l

দিন ১৩ – জয়পুর নেমেই হোটেল ঠিক করলাম পারহেড ২৫০ রুপিতে l তারপর ১৩০০ রুপিতে একটা ইনোভা ভাড়া করলাম সব স্পট ঘোরার জন্যে l আমরা হাওয়া মহল,জানতার মানতার,সিটি প্যালেস,নাহারগড় ফোর্ট,পিঙ্ক সিটি,বিরলা মন্দির,জলমহল,রাজ্ মন্দির,আমির ফোর্ট দেখলাম l শপিং সন্ধ্যায় শেষ করে ঘুমিয়ে পড়লাম l

দিন ১৪ – সকালে ভোরে ৬ টার ট্রেন ধরে ৬০ রুপিতে গেলাম আজমির ২ ঘন্টায় l ওখানে পার হেড ১০০ রুপি অটো করে আজমির শরীফ এবং পুষ্কর দেখে ২ টার ভিতর জয়পুর ফিরলাম l ৩ টায় ট্রেন ছিল জয়পুর তো আগ্রা l রাত ৯ টায় আগ্রা পৌছালাম l পৌঁছে হোটেল নিলাম ২০০ রুপি পারহেড l

আগ্রা পর্ব :-

দিন ১৫ – সকালে উঠে ব্রেকফাস্ট করে চলে গেলাম শাহজাহানের তাজমহল দেখতে পারহেড ৭৫০ রুপি করে l তারপর ১০০ পারহেড এ অটোতে করে আগ্রাফোর্ট,ইতমাদউদ্দৌলা,মেহতাব বাগ ঘুরে নিলাম সন্ধ্যার মধ্যে l রাতে ম্যাকডোনাল্ড এ খেয়ে ঘুমালাম ভোর ৪ টা পর্যন্তু কারণ ভোর ৫ টায় হাওড়ার ফিরতি ট্রেন ছিল l

দিন ১৬ – সারদিন ট্রেন এ কাটালাম ক্লান্ত শরীর সবার l সারাদিন ট্রেন এ ঘুমিয়ে ফ্রেশ হলাম আড্ডা দিয়ে রাতে l

দিন ১৭ – ভোরে হাওড়া নামলাম এবং ওদিন এ কলকাতা থেকে ঢাকা চলে আসলাম l

খরচ(পারহেড) :-

৭ টা রুটের ট্রেন টিকেট একসাথে পার পারসন পড়েছিল ৪৫০০ টাকা(১ মাস আগে করেছিলাম)

টিকেট গুলার নমুনার জন্যে নিচের লিংক টি দেখতে পারেন-

https://drive.google.com/drive/folders/15sS7vLz7-yaZiiPu2gRybRdu2d_QYmQc?fbclid=IwAR0SEC7dSAaERu4ag4LGtvc-D6fZCB2OU2Y_JxFC8Pli2z5ZnAE_k0kUY5w

কাশ্মীর- ৪০০০ রুপি প্যাকেজ আর ৪০০০ রুপি খাওয়া,এন্ট্রি ফী,বিভিন্ন রাইড এবং এক্সট্রা একটিভিটিস (আপনারা চাইলে কমাতে পারেন এই খরচ)=৮০০০ রুপি

রাজস্থান- ৬৫০০ রুপি সব খরচ মিলিয়ে(ট্রেন টিকেট বাদে)

আগ্রা- ১৫০০ রুপি সব খরচ মিলিয়ে

আর ঢাকা-কলকাতা আসা যাওয়া,ট্রাভেল ট্যাক্স আর কিছু ছোটোখাটো খরচ মিলিয়ে সর্বমোট এই ট্যুরে আনুমানিক ২৫ হাজার টাকার মতো লেগেছিল l এই খরচ ব্যাক্তিভেদে এবং চাহিদানুযায়ী ভিন্ন হতে পারে l

জরুরি কথা :-

১.ইন্ডিয়ান ট্রেন সময়মতো ছাড়ে,গাফিলতি করলেই ট্রেন মিস হবার চান্স থাকে

২.বর্ডার থেকেই ভোডাফোন এর সিম নিয়ে নিন ৪০০ রুপি করে

৩.শীতকালে কাশ্মীর গেলে ওয়ান ওয়ে ট্রাফিক নিয়ে ধারণা নিয়ে যান

৪.রাজস্থান এবং আগ্রায় একটু হিন্দি বলতে পারলেই ফরেন কোটার টিকেট প্রাইস থেকে মুক্তি পাবেন,ফরেন কোটার টিকেট প্রাইস অনেক বেশি তুলনামূলক

৫.রাজস্থানে বেশির ভাগ veg খায়,শুকনা খাবার এবং পানি ক্যারি করুন ট্রেন এ

ট্যুর এর কিছু ছবি দিলাম এইখানে,আপনারা চাইলে আমার প্রোফাইল এ গিয়ে দেখতে পারেন-সেখানে আমি ছবিসহ Daywise আপডেট দিয়েছি এই ট্যুরের l

সবার কাছে একটাই অনুরোধ আমরা যখন বাইরে যাই তখন সেখানকার সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকব এবং পরিবেশটাও সুন্দর রাখব l লেখায় ভুলভ্রান্তি থাকলে আশা করি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং ট্যুর নিয়ে যেকোনো মতামত আপনারা কমেন্টে/ইনবক্সে জানাতে পারেন l

india restricts all visa for travel

করোনাঃ (corona) এবার ভারতে ভ্রমনে নিষেধাজ্ঞা

ভারত ভ্রমণে এবার নিষেধাজ্ঞা এলো

ভারতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়ে যাওয়ায় ভারত ভ্রমনে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হল।

India Centre issues new travel advisory amid COVID-19 spread

The Centre on Wednesday issued a new travel advisory amid the spread of novel corona virus, after a high-level group of ministers reviewed the current status and actions taken by authorities for the prevention and management of the disease.

The advisory said, “All existing visas, except diplomatic, official, UN/International Organisations, employment, project visas, stand suspended till 15 April, 2020. This will come into effect from 1200 GMT on 13 March 2020 at the port of departure.”

Screenshot-2020-03-12-at-12.18.41-AM

Thailand Restricts Visa upon Arrival to 19 Counties, Including India

ভারতসহ ১৯ দেশের অন এরাইভাল ভিসা স্থগিত করলো থাইল্যান্ড

The suspensions were the latest measures imposed in the tourism-reliant Southeast Asian country, which has reported 59 cases of the virus and one death so far. Globally, over 1,13,000 people have been infected in over 100 countries.

hailand will temporarily suspend issuing visas on arrival to visitors from 19 countries and territories, including China, to contain the spread of the coronavirus, its interior minister said on Wednesday.

Image: AP / Image for representation

The suspensions were the latest measures imposed in the tourism-reliant Southeast Asian country, which has reported 59 cases of the virus and one death so far. Globally, over 1,13,000 people have been infected in over 100 countries.

“People from any country who want to come will need to apply for a visa with our embassies,” Minister of Interior Anupong Paochinda told reporters.

“Thai embassies everywhere will ensure that no sick people will travel to Thailand.”

Visa on Arrival (VoA) will be suspended for nationals of all 19 countries and territories previously eligible, including India, China, Bulgaria, Bhutan, Cyprus, Ethiopia, Fiji, Georgia, Kazakhstan, Malta, Mexico, Nauru, Papua New Guinea, Romania, Russia, Saudi Arabia, Taiwan, Uzbekistan, and Vanuatu, according to a list provided to reporters by the Ministry of Foreign Affairs.

Visa exemptions will be cancelled for South Korea, Italy and Hong Kong, Anupong said.

“These measures will solve the problem of foreigners arriving from risky zones,” he said.

Anupong said he would start the process immediately but it was not immediately clear when they will be effective.

A foreign ministry official said visa applicants will need to present medical certificates and insurance as part of the screening at Thai embassies.

Last week, Thailand designated South Korea, China, Macao, Hong Kong, Italy and Iran as “dangerous communicable disease areas.”

Thai authorities urged people arriving from the six places to self-quarantine for 14 days.

84158394_1077072796018782_2785824352073940992_o

Trip from Ctg to Saint Martin

by – Ayman Iktidar

আপনারা যারা সেইন্ট-মার্টিন (saint martin) যেতে চান তারা যদি পারেন অফডেতে যাওয়ার ট্রাই করবেন তাহলে খরচ কম পরবে।

আমরা ছয়জন ২৭ তারিখ রাতে রওনা দি দামপাড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে রিলাক্স বাসে । বাস সকাল ৭ টায় পৌছায় টেকনাফ ঘাটে।আমাদের শিপ এর টিকেট আগেই করা ছিল। যাওয়ার সময় আমাদের শিপ ছিলো কেয়ারি ক্রুস। কেয়ারি ক্রুসে মানুষ কম থাকে এবং আরাম ও বটে।😁 শিপ ১২.৩০ এ পৌঁছে যায় সেইন্ট-মার্টিন।শিপ থেকে নেমে আমরা বিচ ধরে হাটতে থাকি হোটেলের উদ্দেশ্যে। অনেক খোজাখুজি করার পরে বিচ এর পশ্চিম পাশে হোটেল অবকাশ পেয়ে যায় মনমতো। ৬ টা সিংগেল বেড ছিল রুমে।আমরা ২ রাত ছিলাম। ফ্রেশ হয়ে দুপুরের খাবারের সেরে নিই হোটেল এই। সেইন্ট-মার্টিন এ এসে সি-ফুড ট্রাই করতে ভুলবেন না। আমরা দুপুরের খাবারে টুনা এবং কোরাল মাছের প্যাকেজ নিয়েছিলাম। রেস্ট নিয়ে আমরা বিকালে চলে যায় সাইক্লিং এর জন্য। ১ ঘন্টা সাইক্লিং করে সূর্যাস্ত দেখে নিই। রাতের আড্ডা দিতে বিচ ধরে চলে যায় জেটিঘাট। এখানেই চলে আমাদের রাতের আড্ডা😍। আড্ডা শেষে রাতের খাবার খেয়ে নি দারু চিনি রেস্তোরাঁয়। খাবার খুবই বাজে ছিলো এখানে। এটা অ্যাভয়েড করার ট্রাই করবেন। সবাই খুব টায়ার্ড থাকায় সবাই ঘুমিয়ে পড়ে। পরের দিন সকালের নাস্তা শেষে চলে যায় ছেঁড়া-দ্বীপের উদ্দেশ্যে। আমরা লাইফবোটে করে গিয়েছিলাম। ছেঁড়া-দ্বীপের পানি সেইন্ট-মার্টিন থেকে পরিষ্কার । ছেঁড়া-দ্বীপ দেখতে অনেক সুন্দর। আসল বিচের ফিল পাবেন। ছেঁড়া-দ্বীপ ভ্রমন শেষে দুপুরের খাবার খেয়ে নিই জেটিঘাট এর পাশে নোয়াখালি ভিলেজ রেস্তোরাঁয়।এখানের খাবার ভালো ছিলো। হোটেলে এসে রেস্ট নিয়ে বিকালে চলে যায় সমুদ্রে ভিজতে। সমুদ্রে ভিজে সূর্যাস্ত দেখার সৌন্দর্য বলে বুঝানোর মতো না😍।


রাতে আমরা নোয়াখালি ভিলেজ রেস্তোরাঁয় স্যালমন মাছের বারবিকিউ অর্ডার দিয়ে চলে যায় জেটিঘাটে।বারবিকিউ খুবই মজার ছিলো। তারপর রাতভর হোটেলের বাইরে চলে সবার না ফুরানো আড্ডা। তারপর দিন সকালে নাস্তা শেষে চেকআউট করে বিচের ধারে বসে ডাব খেতে খেতে শেষ বারের মতো সৌন্দর্য উপভোগ করে দুপুরের খাবার খেয়ে শিপে উঠে পড়ি।আমরা কেয়ারি সিন্দাবাদে করে ব্যাক করেছিলাম।

খরচঃ

১ম দিনঃ
বাস-৪৮০০
শিপ(যাওয়া-আসা)-৪৪০০
হোটেল(২ রাত)-৩০০০
সাইক্লিং(৫ জনের)-২০০
দুপুরের খাবার-৮৮০
বিকালের নাস্তা-১৮৫
রাতের খাবার-৫৩০

২য় দিনঃ
সকালের নাস্তা-২০০
দুপুরের খাবার-১০৬০
বিকালের নাস্তা-১২০
বারবিকিউ -১৪৭০

৩য় দিনঃ
সকালের নাস্তা-২৮০
দুপুরের খাবার-৬৬০
ডাব-৩০০
বিকালের নাস্তা-২৪০

Per person -3300tk(2 nights)

সেইন্ট-মার্টিন এর আশেপাশে অনেক ময়লা চোখে পড়ল।
যেখানে যাবেন পরিবেশ পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করবেন এবং ময়লা ফেলবেন না।

maldives

করোনা (corona) ভাইরাসের জন্য এবার ভ্রমনে নিষেধাজ্ঞা এলো মালদ্বীপ থেকে

Maldives restricts flight from bangladesh after 3 patients found positive on corona virus.

এবার মালদ্বীপ সিভিল এভিএশন বাংলাদেশ থেকে সকল ফ্লাইট আগামী ২৪শে মার্চ পর্যন্ত বাতিল ঘোষণা করল। মালদ্বীপে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশনের ফেসবুক পেজে একথা জানানো হয়েছে

বাংলাদেশে করোনা (corona) ভাইরাসে আক্রান্ত ৩ জন পাওয়ার পর এ ঘোষণা এলো

ফেসবুক পেজঃ https://www.facebook.com/BangladeshMissionMaldives/

88261670_2786082171498826_2897209943734091776_n

Kalimpong/darjeeling trip by Avijit Ghosh

তিনদিনের ঝটিকা সফরে ঘুরে এলাম উত্তরবঙ্গ থেকে by Avijit Ghosh

Feb 20 (বৃহস্পতিবার):- শিয়ালদা থেকে রাত সাড়ে আটটার সময় কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেস ধরলাম,গন্তব্য NJP।

Feb 21 (শুক্রবার):- সকাল সাড়ে সাতটার সময় NJP নামলাম,নেমে ফ্রেশ হয়ে ড্রাইভার কে ফোন করতে লাগলাম যে তিনি কোথায় আছেন,যদিও সকালে ও আগেরদিন থেকে কথা হয়েই আছে আমরা কখন NJP পৌঁছাবো,এবং গাড়ি আগে থেকেই রিজার্ভ করা ছিলো যিনি আমাদের পুরো ট্যুর টা গাড়িতেই ওই একই বাহনে ঘোড়াবেন।

NJP স্টেশনের বাইরে বেরিয়ে অপেক্ষা করার কিছু মুহুর্তের মধ্যেই এসে পৌঁছালো আমাদের এই পুরো ট্যুরের বাহন Bolero,এই গাড়িটার একটা সুবিধা যে পিছনের সিট গুলোও ছিলো ফ্রন্ট ফেসিং এতে পাহাড়ি রাস্তায় কারওই অসুবিধা হবে না,এবং আমাদের সদস্যসংখ্যা ছিলো ৮ জন।

গাড়ি স্টার্ট দিয়ে আমরা আজকের প্রথম গন্তব্য তিনচুলের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করলাম,তিনচুলে তে আমাদের Kulung Guest House বুক করাই ছিলো,আমরা ঠিক করলাম রাস্তায় ব্রেকফাস্ট ও লাঞ্চ সেরে নিয়ে সাইটসিয়িং সেরে তারপরে বিকেলে হোমস্টে তে পৌঁছাবো,

তো যেই ভাবা সেই কাজ,এইভাবে আমরা আমাদের যাত্রা পথের মাঝেই দেখে নিলাম
▪️Tinchule Sunset View Point
▪️Takdah Orchid Centre
▪️Runglee Rungliot Tea Estate

এইগুলি দেখা শেষ করে পৌঁছালাম আমাদের গেস্ট হাউসে,Kulung Guest House এর মালিক আমাদের সাদর অভ্যর্থনা জানালেন,৭৩ বছরের এই কিশোরের সাথে পরিচয় হয়ে আমাদেরও বেশ লাগলো,রাতে ডিনার সেরে আমরা তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়লাম কারণ পরেরদিন খুব সকালে বেড়াতে হবে আমাদের,গন্তব্য Kalimpong.

Feb 22 (শনিবার):- গেস্ট হাউসেই ব্রেকফাস্ট সেরে তিনচুলে,তাকদার স্মৃতি নিয়ে আমরা Kalimpong এর উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম,আজকেও ঠিক করলাম রাস্তায় সমস্ত সাইট সিয়িং করে তারপর Kalimpong এ আমাদের হোটেল এ পৌঁছাবো,এই প্রসঙ্গে বলে রাখি Kalimpong এ আমাদের রাত্রিবাস এর ঠিকানা হলো Hill Top WBTDC Lodge.

সেইদিন পথে যেতে যেতে দেখলাম
▪️Lamhatta Eco Park
▪️Lovers Meet Viewpoint
▪️Peshok Tea Garden
▪️Pine View Nursery
▪️Durpin Monastery
▪️Army Golf Course
▪️Morgan House
▪️Gouripur House

আজকের লাঞ্চ সারলাম আমরা Army Golf Course এর Green Cafe তে যার পুরোটাই Army দ্বারা পরিচালিত,
বিকেলে লজে পৌঁছে ফ্রেশ হয়ে বেড়িয়ে পড়লাম Kalimpong বাজারের উদ্দেশ্যে,
বাজারে গিয়ে চা, souvenir কিনলাম,রাতের খাবার খেয়ে ট্যাক্সি নিয়ে হোটেল ফিরলাম সেদিন রাতে,
পরেরদিন এর গন্তব্য Lava,

Feb 23 (রবিবার):- Kalimpong থেকে সকালে বেরিয়ে যাত্রা করলাম লাভার উদ্দেশ্যে,আজ আমাদের রাতেই কলকাতা ফেরার ট্রেন NJP থেকে,তাই সারাদিন ঘুরে ড্রাইভার দাদা আমাদের সন্ধের আগে NJP নামিয়ে দেবে এমনটাই কথা হয়ে ছিলো আগে থেকে।

পথে পথে সেইদিন দেখলাম
▪️Dr Graham’s House
▪️Deolo Park
▪️Hanuman Top
▪️Lava Monastery
▪️Ambek Tea Garden
▪️Teesta Barrage,Gajaldoba.

আজকের দুপুরের লাঞ্চ সারলাম তিস্তা ব্যারেজের কাছে গজলডোবা তে,সেদিনের সব সাইডসিয়িং শেষ করে আমরা সন্ধের একটু আগে পৌঁছে গেলাম NJP স্টেশনে,
আমাদের ফেরার ট্রেন রাত আটটায় ছাড়বে Darjeeling Mail.
নিজেদের সমস্ত জিনিস,ব্যাগ বুঝে নিয়ে এবং ড্রাইভার দাদার সাথে কুশল বিনিময় করে আমরা স্টেশনের দিকে পা বাড়ালাম,রাতে খাবার আমরা প্যাক করে নিয়েছিলাম NJP স্টেশনের বাইরে থেকেই,

Feb 24 (সোমবার):- সকাল সাড়ে ছটার সময় শিয়ালদা নেমে একবুক স্মৃতি নিয়ে যে যার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম।

শেষে সবাইকে একটাই অনুরোধ ঘুরতে গিয়ে সবাই পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন,নিজেও ভালো থাকুন,পরিবেশকেও ভালো থাকতে দিন,ধন্যবাদ।